
X
ঢাকায় বসছে ১৭ দেশের আর্চার নিয়ে প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ। ছবি: বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশন
চার দিনের আয়োজন। এর মধ্যে ১৭টি দেশের আর্চাররা যেমন পদকের লড়াইয়ে নামবেন; একইসাথে ২৬টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেবেন যৌথ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রামে। এই আয়োজনের নাম দেওয়া হয়েছে বাংলাদেশ প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ ও যৌথ প্রশিক্ষণ প্রোগ্রাম।
টঙ্গী স্টেডিয়ামে ৩০ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া এই আয়োজনের রূপরেখা বাংলাদেশ অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের অডিটোরিয়ামে রোববার সংবাদ সম্মেলনে তুলে ধরেন বাংলাদেশ আর্চারি ফেডারেশনের সভাপতি এবং ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়ার প্রেসিডেন্ট কাজী রাজীব উদ্দীন আহমেদ চপল।
তিনি বলেন,‘ এই আয়োজনটি মূলত দুটি ভাগে বিভক্ত। আমাদের যৌথ ট্রেনিং প্রোগ্রাম এবং ওয়ার্ল্ড আর্চারি এশিয়া প্রেসিডেন্টস চ্যালেঞ্জ কাপ। কর্মকর্তারাও আমাদের স্টেকহোল্ডার, যারা বিভিন্ন দেশ থেকে আসছেন। আফ্রিকা, এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং ইউরোপসহ মোট ২৬টি দেশের প্রতিনিধি ও ১৭টি দেশের আর্চার ও অফিসিয়ালরা এতে অংশ নিবেন।’
পদকের লড়াইয়ে অংশ নেওয়া ১৭টি দেশ-আফগানিস্তান, ভুটান, চীন, ভারত, ইরাক, জর্ডান, সৌদি আরব, মালয়েশিয়া, নেপাল, পাকিস্তান, ফিলিপাইন, কাতার, সিঙ্গাপুর, সংযুক্ত আরব আমিরাত, উজবেকিস্তান, ইয়েমেন ও স্বাগতিক বাংলাদেশ।
এছাড়া অস্ট্রেলিয়া, কোমোরোস, মিশর, ইরান, দক্ষিণ কোরিয়া, শ্রীলংকা, তাইপে, তিউনিসিয়া ও উগান্ডা থেকে টেকনিক্যাল অফিসিয়াল ও অতিথি মিলে মোট ২৬টি দেশের প্রতিনিধি অংশ নেবেন যৌথ ট্রেনিং প্রোগ্রামে।
মাত্র চার দিনের আয়োজন হলেও, এখান থেকে ইতিবাচক কিছু পেতে চাইছেন মার্টিন ফ্রেডরিখ। বাংলাদেশ আর্চারি দলের জার্মান কোচ এই আসরকে দেখছেন বিভিন্ন দেশের প্রতিযোগিদের সাথে সম্পর্ক তৈরির মঞ্চ হিসেবে।
“আমরা কিছু প্রশিক্ষণ ম্যাচ খেলব এবং এটা খুবই ভালো ব্যাপার। মাত্র ৪ দিনের একটি সংক্ষিপ্ত আয়োজন হলেও এটি খুবই চমৎকার। সাধারণত আমি চাই, প্রতি বছর এটি আরও ঘন ঘন হোক, যেমন বাংলাদেশ দল ভারতে গেলো বা অন্য কোথাও গেলো। আমাদের প্রতিবেশীরা আর্চারিতে শক্তিশালী; এ ধরনের আয়োজনকে আমি আরও বেশি মিথস্ক্রিয়া এবং সম্পর্ক গড়ার মতো একটি সুযোগ হিসেবে দেখি।”