ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব, কঙ্গোয় বাড়ছে মৃত্যু

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) দ্রুত বিস্তার লাভ করা ইবোলা প্রাদুর্ভাব বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।দেশটির

2026-08-01T18:07:35+00:00
2026-08-01T18:07:35+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ইতিহাসের দ্বিতীয় বৃহত্তম ইবোলা প্রাদুর্ভাব, কঙ্গোয় বাড়ছে মৃত্যু
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৭ পিএম   (ভিজিট : ২৬)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে (ডিআরসি) দ্রুত বিস্তার লাভ করা ইবোলা প্রাদুর্ভাব বিশ্বের ইতিহাসে দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। 

দেশটির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ৫৩২ জন আক্রান্ত এবং ১ হাজার ৫৫৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। 

শুক্রবার দেশটির যোগাযোগ মন্ত্রণালয়ের প্রকাশিত তথ্যের বরাতে এ খবর জানিয়েছে রয়টার্স। জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির (ডব্লিউএফপি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান কার্ল স্কাউ এই প্রাদুর্ভাবকে তাদের দেখা সবচেয়ে দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা সংকট বলে উল্লেখ করেছেন এবং পরিস্থিতি মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আরও জোরালো সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

আফ্রিকা সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন (আফ্রিকা সিডিসি) জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাব শুরুর তিন মাসেরও কম সময়ের মধ্যে আগের যেকোনো ইবোলা প্রাদুর্ভাবের একই সময়ের তুলনায় প্রায় পাঁচ গুণ বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে।

বর্তমান প্রাদুর্ভাবের জন্য দায়ী ইবোলা ভাইরাসের বিরল বান্ডিবুগিও ধরন। এই ধরনের বিরুদ্ধে এখনো অনুমোদিত কোনো টিকা বা নির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। পূর্ব কঙ্গোয় সক্রিয় বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠীর সহিংসতা এবং আন্তর্জাতিক সহায়তা কমে যাওয়ায় রোগ নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, এর চেয়ে বড় ইবোলা প্রাদুর্ভাব হয়েছিল ২০১৪ থেকে ২০১৬ সালের মধ্যে পশ্চিম আফ্রিকায়। তখন গিনি, লাইবেরিয়া ও সিয়েরা লিওনে মোট ২৮ হাজার ৬১৬ জন আক্রান্ত এবং ১১ হাজার ৩১০ জনের মৃত্যু হয়েছিল। ডব্লিউএইচও সতর্ক করে জানিয়েছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা সরকারি হিসাবের তুলনায় চার গুণ পর্যন্ত বেশি হতে পারে।

উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর বুনিয়ায় ক্যারিটাসের জরুরি বিভাগের প্রধান অ্যাঞ্জেল গাপিও বলেন, সচেতনতামূলক প্রচারণা কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না। অনেক মানুষ এখনো আধুনিক চিকিৎসার বদলে স্থানীয় কবিরাজের শরণাপন্ন হচ্ছেন, ফলে সংক্রমণের শৃঙ্খল ভাঙা যাচ্ছে না। 

আফ্রিকা সিডিসি জানিয়েছে, প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। তবে মে থেকে আগস্ট পর্যন্ত পরিচালিত প্রতিক্রিয়া পরিকল্পনার জন্য এখন পর্যন্ত প্রতিশ্রুত অর্থ এসেছে ২১৩ দশমিক ৯ মিলিয়ন ডলার, যা নির্ধারিত ২৪২ দশমিক ৪ মিলিয়ন ডলারের চেয়ে কম। 

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে কঙ্গোয় আন্তর্জাতিক ত্রাণকর্মী পাঠানোও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এতে চিকিৎসা ও মানবিক সহায়তা কার্যক্রম আরও চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে।






Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy