২০ বছর ধরে মৃত মহিউদ্দিনের বেতন তুলছেন জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন!

নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাবাংলা

ভোলার তজুমদ্দিনে নামের মিল থাকায় মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স

2026-08-02T18:46:33+00:00
2026-08-02T18:46:33+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
২০ বছর ধরে মৃত মহিউদ্দিনের বেতন তুলছেন জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন!
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: রোববার, ২ আগস্ট, ২০২৬, ৬:৪৬ পিএম   (ভিজিট : ৩৬)
জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন
X

জামায়াত নেতা মহিউদ্দিন

ভোলার তজুমদ্দিনে নামের মিল থাকায় মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার এক মৃত শিক্ষকের ব্যাংক হিসাব ও ইনডেক্স নম্বর জালিয়াতি করে ২০ বছর ধরে সরকারি বেতন-ভাতা তোলার অভিযোগ উঠেছে মো. মহিউদ্দিন নামে এক জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে। এছাড়া জালিয়াতি মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটিতে নিয়োগপ্রাপ্ত হওয়ারও অভিযোগ উঠেছে তার বিরুদ্ধে।

অন্যদিকে অভিযোগকারী মাদ্রাসাটির সুপার মো. নুরুজ্জামানের দাবিকৃত অর্থ না দেওয়ায় এ অভিযোগ তুলেছেন বলে জানিয়েছেন অভিযুক্ত মো. মহিউদ্দিন। 

সম্প্রতি বিষয়টি জানাজানির পর মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের কাছে প্রতিকার চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন মাদ্রাসাটির সুপার মো. নুরুজ্জামান। 

অভিযুক্ত নেতার নাম মো. মহিউদ্দিন। তিনি তজুমদ্দিন উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি।

নুরুজ্জামানের লিখিত অভিযোগ বিশ্লেষণে দেখা যায়, তজুমদ্দিনের মোহাম্মদ ভেলা ওমরিয়া দাখিল মাদ্রাসায় ১৯৯৪ সালের ১৩ মার্চ মো. মহিউদ্দিন নামে অন্য এক ব্যক্তি জুনিয়র শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। যার ইনডেক্স নম্বর ৩৬৪৭৭৬ এবং ব্যাংক হিসাব নং ৪৬০৬, পরবর্তীতে তার মৃত্যু হলে মাদ্রাসায় উক্ত পদটি শূন্য হয়। 

এরপর তজুমদ্দিন ডিগ্রি কলেজের অফিস সহকারী ও জামায়াত নেতা মো. মহিউদ্দিন বাবা আছমত আলী মহাজন, যার ইনডেক্স নম্বর ৬০২৭৮২, ব্যাংক হিসাব নং ৪৫৭৭। গত ২০০৬ সালের ৭ অক্টোবর বিধি বহির্ভূতভাবে সহকারী শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। 

মাদ্রাসা বোর্ডে দেওয়া অভিযোগে বলা হয়, ২০০৫ সালে শিক্ষক নিবন্ধন চালু হওয়ার পর তথ্য গোপন করে ২০০৬ সালে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিধি বহির্ভূতভাবে পূর্বের ইনডেক্স ব্যবহার এবং নামের মিল থাকায় মৃত শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে সরকারি অর্থ উত্তোলনের মাধ্যমে আর্থিক সুবিধা গ্রহণ করছেন অভিযুক্ত শিক্ষক মহিউদ্দিন। এদিকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগ নিলেও বেতন ভোগ করছেন জুনিয়র শিক্ষক পদের। 

এছাড়া ২০০৭ সাল থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত এমপিও সিটে মহিউদ্দিনের ইনডেক্স এর বিপরীতে মৃত শিক্ষকের ব্যাংক একাউন্ট ৪৬০৬ পাওয়া যায় এবং জালিয়াতির অভিযোগ এনে তার বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক মো. মহিউদ্দিন বলেন, উদ্দেশ্যেপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। হিসাব নম্বর এক হলেও ওই একাউন্ট থেকে বেতন তোলা হয়নি। এছাড়া আমি নিয়োগ প্রাপ্তিকালেও কোনোরকম তথ্য গোপন করিনি। নিজে নিজে বেতনের টাকা তোলার এখতিয়ার কী আমার আছে? বেতন ইস্যু করেন মাদ্রাসা সুপার মোহাম্মদ নুরুজ্জামান ও সভাপতি। 







Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy