প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:৫৭ পিএম (ভিজিট : ২৭)

X
ফাইল ছবি
রেলগাড়ীর গার্ড ব্রেক থেকে প্রতিদিনই অবৈধ্য পথে যাত্রীদের কাছ থেকে পরিচালক (গার্ড) এবং গার্ডের সহকারি ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করেছে। লোকসানে সরকার।
জানাগেছে, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা খুলনা গামী জাহানাবাদ এবং বেনাপোল গামী রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস ঢাকা-খুলনা- বেনাপোলে প্রতিদিনই চারবার যাতায়াত করে। বেনাপোল এবং খুলনা থেকে ঢাকায় যাতায়াতে (মাত্র ৩.৪৫ মিনিট) সময় ও অর্থ কম লাগে যে কারনে এই পথের ট্রেন দুইটি খুবই জনপ্রিয়। দুই দিন পূর্বে অনলাইনে টিকিট বিক্রি শেষ হয়ে যায়।
সেই সুযোগে অবৈধ্য ভাবে নিয়ম বর্হিভূত: পরিচালকের (গার্ডের দুই রুমে) অফিস রুমে প্রতিদিনেই ২০ থেকে ৩০ জন করে যাত্রী বহন করা হয়। এসব যাত্রীদের কাছ থেকে ( প্রতিদিন চারবার আপ-ডাঊনে) ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আদায় করে পকেটে ঢুকাচ্ছে গার্ড ও তার সহকারিরা। লোকসান হচ্ছে সরকারের।
সরেজমিনে গেলে দেখা যায়, গার্ডের সহকারি পপিদুল ইসলাম পনি এসব অবৈধ্য ভাবে আসা যাত্রীদের কাছ থেকে ৪০০ টাকা করে ভাড়া আদায় করে। তিনি অবৈধ্য যাত্রী বহনের জন্য গার্ড রুমে প্লাস্টিকের ২৫ থেকে ৩০ টি চেয়ার কিনে রেখেছেন। ওই রুমে গার্ড সাহেবের মূল্যেবান টেবিলের উপরেও বসানো হয় যাত্রী। প্রায় প্রত্যেক স্টেশনেই রয়েছে পপিদুল ইসলাম পনির এজেন্ট।
পরিচালক মোঃ আতিকুল ইসলাম আতিক এ প্রতিবেদকের সত্যতা স্বীকার করে সহকারি পনির উপর দায় চাপিয়ে দেন। দেখে মনে হয় পনিদুলের ব্যাক্তিগত সম্পত্তিতে পরিনত হয়েছে জাহানাবাদ ও রূপসী বাংলা এক্সপ্রেস ট্রেন। গার্ডের সহকারি পনি বলেন,এই টাকার ভাগ উপর মহলেও দিতে হয়।
এ ব্যাপারে বিভাগীয় ব্যাবস্থাপক পাকশি (ডি আর এম) মোঃ লিয়াকত শরীয় খান মুঠোফোনে এ প্রতিবেদককে জানান, পনি সহ তিনজনের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।