প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১২:২৪ পিএম (ভিজিট : ১)

X
সংগৃহীত ছবি
দেড় দশকের বেশি সময় ধরে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা। ২০১০ সালে চলচ্চিত্রে অভিষেকের পর মূলধারার সিনেমায় পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। এরপর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন, ওটিটিতে কাজ এবং বড় পর্দায় ভিন্নধর্মী চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে অবস্থান আরো শক্ত করেছেন এ অভিনেত্রী। ২০১০ সালে ‘বলো না তুমি আমার’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে অভিনয়ে অভিষেক তমা মির্জার।
শুরু থেকেই শুধু গ্ল্যামার-নির্ভর চরিত্রে আটকে থাকতে চাননি তিনি। ভিন্ন ধরনের চরিত্রে কাজের আগ্রহ থেকেই অভিনয়ের পরিসর বাড়াতে থাকেন। ২০১৫ সালে ‘নদীজন’ চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী বিভাগে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান তিনি। এ স্বীকৃতি তার ক্যারিয়ারে গুরুত্বপূর্ণ বাঁক তৈরি করে।
পুরস্কার পাওয়ার পরও তার অভিনয়জীবন সবসময় একই গতিতে এগোয়নি। সিনেমার পাশাপাশি নতুন গল্প ও চরিত্রের সন্ধান চালিয়ে গেছেন। তমা মির্জার ক্যারিয়ারের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র ‘সুড়ঙ্গ’। রায়হান রাফী পরিচালিত সিনেমাটিতে আফরান নিশোর বিপরীতে ময়না চরিত্রে অভিনয় করে নতুন করে আলোচনায় আসেন তিনি। এর আগে একই পরিচালকের ‘খাঁচার ভেতর অচিন পাখি’ ও ‘৭ নম্বর ফ্লোর’-এ কাজ করেছিলেন তমা।
সুড়ঙ্গর সাফল্য তাকে নতুন প্রজন্মের দর্শকের কাছে আরো পরিচিত করে তোলে। এরপর ‘দাগি’ সিনেমায়ও অভিনয় করেন তিনি। বর্তমানে নতুন দুটি চলচ্চিত্রে কাজ করছেন এ অভিনেত্রী। নতুন কাজ প্রসঙ্গে তমা মির্জা বলেন, ‘নতুন কাজগুলোয় পরিচিত গ্ল্যামারাস অবয়বের বাইরে দেখা যাবে আমাকে।’
অভিনয়ের এ পর্যায়ে এসে তমার লক্ষ্য এখন আরো পরিণত চরিত্রে কাজ করা। সৌন্দর্য বা গ্ল্যামারের চেয়ে চরিত্রের গভীরতাকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান তিনি। তমা বলেন, ‘আপাতত আমার মনোযোগ কাজে। আরো পরিণত চরিত্রে কাজ করতে চাই। যেখানে সৌন্দর্যের চেয়ে চরিত্রের গভীরতা বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’