বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘হারমনি অব দ্য সিজ’

নিজস্ব প্রতিবেদক

ফিচার

'টাইটানিক' এর কথা অনেকেরই জানা। সিনেমার কারণে টাইটানিক জাহাজের আভিজত্য সম্পর্কে প্রায় সবারই ধারণা রয়েছে। তবে এবার খোঁজ

2022-01-26T16:13:33+00:00
2022-01-26T16:13:33+00:00
শুক্রবার ৭ আগস্ট ২০২৬ ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
শুক্রবার ৭ আগস্ট ২০২৬
   
বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ ‘হারমনি অব দ্য সিজ’
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ: বুধবার, ২৬ জানুয়ারি, ২০২২, ৪:১৩ পিএম   (ভিজিট : ৩১৭০)
X



'টাইটানিক' এর কথা অনেকেরই জানা। সিনেমার কারণে টাইটানিক জাহাজের আভিজত্য সম্পর্কে প্রায় সবারই ধারণা রয়েছে। তবে এবার খোঁজ মিললো পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জাহাজের নাম ‘হারমনি অব দ্য সিজ’। সমূদ্রের মাঝে একটি অভিজাত্য সাম্রাজ্যের এখন প্রমোদতরি চোখ ধাঁধানো সৌন্দর্য্যের নাম ‘হারমনি অব দ্য সিজ’।

ভূমধ্যসাগর কিংবা ক্যারিবিয়ানে ছুটিতে সর্বোচ্চ বিনোদন দিতে এই জাহাজটিতে আয়োজনের কোনো কমতি রাখেনি কর্তৃপক্ষ। ২০১৩ সালে শুরু হয় জাহাজটির নির্মাণকাজ। জাহাজটির নির্মাণে কাজ করেছেন মোট ২ হাজার ৫০০ শ্রমিক। এটি নির্মাণে সময় লেগেছে তিন বছর। রয়েল ক্যারিবিয়ান ইন্টারন্যাশনাল নৌবহরের ২৫তম জাহাজ ‘হারমনি অব দ্য সিজ’ নির্মাণ খাতে ব্যয় হয়েছে ৭০০ মিলিয়ন পাউন্ড। এর প্রথম বিশেষত্ব হল যাত্রী ধারণক্ষমতা। বিশ্বের সবচেয়ে বেশি যাত্রী ধারণক্ষমতাসম্পন্ন ভ্রমণ জাহাজ এটি। বিশ্বের সবচেয়ে বড় যাত্রীবাহী জেট এয়ারবাস যা দ্রুততার দিক থেকে জাহাজটি ঘণ্টায় ২৫ কিলোমিটার বেগে ছোটে। যা বর্তমানে যে কোনো জাহাজের চেয়ে অনেক বেশি।

জাহাজটিতে প্রবেশ করলে নিজেকে স্বপ্নের জগতে হারিয়ে যাবেন মুহূর্তেই। ১ হাজার ১৮৭ ফুট লম্বা ও ২৩০ ফুট উচ্চতার জাহাজটি ৬ হাজার ৭৮০ জন যাত্রী বহন করতে পারে। এতে ২ হাজার ৭৫৯টি স্টেটরুম রয়েছে। সেইসঙ্গে ২৮টি বারান্দা রয়েছে যেন ঘরেই বসেই যাত্রীরা সাগরের সৌন্দর্য্য উপভোগ তরতে পারে। এতে রয়েছে মোট ১৮টি ডেক। যার মধ্যে ১৬টি ডেকে রয়েছে ২ হাজার ৭৪৭টি কেবিন। দুই তলা বিশিষ্ট এই জাহাজের সিগনেচার রুমটিকে বলা হয় "রয়েল লফট স্যুট"। রয়েল লফট স্যুটের প্রথম তলাতে রয়েছে ১৬০০ স্কয়ার ফুটের একটি লিভিং স্পেস। অন্যদিকে ২য় তলাটি  ৮৭৪ স্কয়ার ফুটের। দুটি মিলিয়ে ২৪৭৪ স্কয়ার ফুট। শহরের বড় যে কোনো বড় অ্যাপার্টমেন্টের চেয়েও অনেক বেশি বড়।      

ব্রেকফাস্ট, লাঞ্চ বা ডিনার নিয়ে অতিথি বা যাত্রীদের জন্য রয়েছে লোভনীয় সব সুস্বাদু খাবার। ২০টি রেষ্টুরেন্ট ও বার রয়েছে ‘হারমনি অব দ্য সিস’ জাহাজটিতে। খাবারের মধ্যে রয়েছে হটডগ হতে শুরু করে সুশি পর্যন্ত সব ধরনের খাবার। জাহাজটিতে খোলা হয়েছে একটি বায়োনিক বার। যেখানে রোবটরা কাস্টমারদের চাহিদা অনুযায়ী ককটেলও বানিয়ে দেবে। এতে আরও রয়েছে খেলার জায়গা, কমেডি ও জ্যাজ ক্লাব, বুটিক শপ, সি স্পা ও ফিটনেস সেন্টার, ইউথ জোন, ২৩টি সুইমিংপুল, স্পের্টস জোন, সেন্ট্রাল পার্ক এবং চিত্তবিনোদনের হরেক উপকরন। এ ছাড়া কেনাকাটা ও শরীরচর্চার জন্যও রয়েছে সব ব্যবস্থা। একদম মধ্যখানে অবস্থিত সেন্ট্রাল পার্কে সাড়ে ১০ হাজারের বেশি উদ্ভিদ, ৪৮টি আঙ্গুর গাছ এবং ৫২টি বড় গাছও রয়েছে ‘হারমনি অব দ্য সিস’ জাহাজটিতে।

এটি এত বড় যে যাত্রীরা যাতে হারিয়ে না যান সে জন্য তাদের জিপিএস অর্থাৎ গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম ব্যবহার করতে হয়। রাতে জাহাজটি অসাধারণ রুপ ধারণ করে। বিভিন্ন রঙের লাইট দিয়ে সাজানো জাহাজটি যেন সমূদ্র পথে চলা এক আলোকবর্তিকা। দূর থেকেও মানুষ অবাক হয়ে সেই আলোয় ভুলবে।





Loading...
Loading...


ফিচার এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy