
X
বঙ্গবন্ধুর চিন্তা চেতনা ধ্যান-ধারণা এবং তার অর্জনকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ভিসি ড. ইমদাদুল হক।
সোমবার (২২ আগস্ট) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
‘জাগো সত্যের শুভ্র আলোয়, জাগো হে মিলিত প্রাণ’ এ স্লোগানকে সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু শিল্পকর্ম প্রদর্শনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান- ২০২২ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির হিসেবে বক্তব্যে রাখেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সারাজীবন মেহনতী মানুষের জন্য কাজ করেছেন। তিনি একটি বিধ্বস্ত দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর অল্পসময়ের শাসনামলে এমন কোন সেক্টর নেই যেখানে তিনি কাজ করেন নি। মাত্র তিন বছরের শাসনামলে তিনি দেশকে একটি অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
তিনি আরো বলেন, আজকের শিশুরা বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে যা শিখবে তা আজীবন মনে রাখবে। তিনি কে ছিলেন, কি ছিল তার অবদান, তা আমাদের নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে হবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে একটি বিশ্ববিদ্যালয় পূর্নাঙ্গ রুপ লাভ করে। বর্তমানে সারা দেশে সাম্প্রদায়িকতা নিয়ে হাহাকার চলছে, সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত বাংলাদেশ গড়তে শিল্পীদের ভূমিকা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ২৫ শে মার্চ গণহত্যা দিবস হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্য বাংলাদেশের সরকারসহ আমরা চেষ্টা করছি। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগ ২৫ শে মার্চ নিয়ে যে চিত্রাঙ্গন প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে তা সত্যিই প্রশংসার যোগ্য। চারুকলা বিভাগ এই দিনটিকে যেভাবে শিল্প কর্মের মাধ্যমে উপস্থাপন করছে তা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে। আজকের শিশুদেরকে যেভাবে ছবি আঁকতে উদ্ভুদ্ধ করছে সেটা আগামীতেও অব্যহত থাকবে। সকলকে বঙ্গবন্ধুর দেখানো অসম্প্রদায়িক পথে এগিয়ে যেতে হবে।
বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির চারুকলা বিভাগের পরিচালক সৈয়দা মাহবুবা করিম (মিনি করিম)।
প্রতিযোগীদের উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, পুরস্কার পাওয়াটা বড় কথা নয় অংশগ্রহণ করাটাই যে কোন শিল্পীর জন্য সবচেয়ে বড় আনন্দের। বড় বড় অনেক শিল্পীদের প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি ছিল। তবুও তারা চিত্রকর্মের মাধ্যমে বিশ্বের স্মরণীয়-বরণীয় হয়ে আছেন।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের সভাপতি আসফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন চারুকলা বিভাগের চেয়ারম্যান, প্রক্টর এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির পরিচালক।
উল্লেখ্য, জবির সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের আয়োজনে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে ১৫ ই আগস্ট শিশু চিত্রাংকন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে আজ (২২ আগস্ট) পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়।
-বাবু/ফাতেমা