পড়াশোনা শেষে ভালো ক্যারিয়ার গড়ার স্বপ্ন ছিলো তার। শিক্ষাজীবনে প্রতিটি বোর্ড পরীক্ষায় জিপিএ ৫ পাওয়া মাহিদ জীবন সাজানোর অনেক রঙিন স্বপ্ন দেখতেন। কিন্তু ভাগ্যের নির্মম নিষ্ঠুরতায় তাকে আজ লড়াই করতে হচ্ছে মারাত্মক ক্রোনিক কিডনি ডিজিজের সঙ্গে।
বলছি মাহিদুল ইসলামের কথা, ডাকনাম মাহিদ। নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের(নোবিপ্রবি) ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষের ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী। নোবিপ্রবি থেকে স্নাতক শেষ করে পরে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকুয়াকালচার বিভাগ থেকে তিনি স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করে।
ছোট বেলায় মাকে হারিয়ে অনেকটাই অগোছালো হয়ে যায় মাহিদের জীবন। বড় ভাইয়ের ছায়ায় বেড়ে উঠা মাহিদের শুরু করা নতুন জীবনটা হঠাৎই আবার ভীষণ এলোমেলো হয়ে গেল। দীর্ঘদিন নানান শারীরিক জটিলতায় ভুগছিল সে। এই অল্প বয়সেই তাকে মুখোমুখি হতে হল মাইল্ড হার্ট আ্যটাক ও উচ্চ রক্তচাপজনিত নানান জটিলতায়। সবশেষে আগস্টের শুরুতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার জানালেন মাহিদ ক্রোনিক কিডনি রোগে আক্রান্ত তিনি। তার ক্রিয়েটিনিন লেভেল ৭.৩১। এবং তিনি এখন এই রোগের শেষ ধাপে অর্থাৎ স্টেজ-৫ এ আছেন। তার দুটো কিডনির প্রায় ৯০% অকেজো! এই অবস্থায় তাকে বাঁচাতে হলে দ্রুত কিডনি প্রতিস্থাপন করতে হবে এবং এর জন্য প্রয়োজন প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা যা পুরোপুরি বহন করা তার পরিবারের সামর্থ্যের বাহিরে।
মাহিদের সহপাঠীরা বলেন, সাড়ে ১৬ কোটির এই দেশে অন্তত কিছু হাত যদি এগিয়ে আসে, তবে হয়তো বেঁচে ফিরবে আমদের বন্ধু। আমরা আপনাদের আর্থিক সহায়তা চাচ্ছি আপনাদের সামান্য সহযোগিতায় হয়তো বেচে যাবে এই মূল্যবান প্রাণ। তাই সমাজের সর্বসাধারণ, দানশীল, উচ্চবিত্তজনের সহযোগিতা কামনা করছি।