প্রকাশ: বুধবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২২, ৯:৩২ পিএম আপডেট: ১৯.১০.২০২২ ৯:৩৫ পিএম (ভিজিট : ৫১৮)

X
অনলাইন শপিং প্ল্যাটফর্ম ‘দারাজ বাংলাদেশ’ থেকে ক্যাজুয়াল স্নিকার্স কিনে প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের আনিসুর রহমান নামে এক ক্রেতা। তার অভিযোগ, ১২ অক্টোবর ৪২ শতাংশ ছাড়ে ক্যাজুয়াল স্নিকার্স কেনার জন্য অর্ডার দিয়েছিলেন তিনি। পরে ১৮ অক্টোবর স্নিকার্সের পরিবর্তে তিনি নিম্নমানের লোফার পান।
আনিসুর রহমান বলছেন, ক্যাজুয়াল স্নিকার্সের বদলে লোফার ডেলিভারি দেওয়া সম্পূর্ণরূপে প্রতারণা। ক্রেতা আনিসুর রহমান বলেন, দারাজের অনলাইনে ৪২ শতাংশ ছাড়ে স্নিকার্সের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছিল। বিজ্ঞাপন দেখে আমি ১২ অক্টোবর ৪৩৫ টাকায় ক্যাজুয়াল স্নিকার্স অর্ডার করেছিলাম।
বিজ্ঞাপনে লেখা ছিল, পুরুষদের জন্য উচ্চমানের স্নিকার্স ক্যাজুয়াল জুতা, পুরুষদের ফ্যাশন স্নিকার্স ফ্লাই বোনা লাইটওয়েট স্লিপ-অন ম্যান ৩৫০ টাকা এবং শপিং ফি ৮৫ টাকাসহ সর্বমোট ৪৩৫ টাকা। তিনি বলেন, বিজ্ঞাপন দেখে এই জুতার অর্ডার দেওয়ার পাঁচদিন পর মঙ্গলবার ডেলিভারি দিয়েছে। পণ্যটি হাতে পাওয়ার পর দেখি, স্নিকার্সের পরিবর্তে একটি নিম্নমানের লোফার জুতা। দারাজ আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। দারাজের ফেসবুক পেজে লিখিত অভিযোগ করেছি। কিন্তু আমাকে কোনো উত্তর দেয়নি। আমি এর বিচার চাই।
পরে আনিসুর রহমান দারাজের কর্তৃপক্ষের কাছে বিষয়টি নিয়ে অভিযোগ করেন। পণ্যটির ছবিসহ দেওয়া অভিযোগে তিনি লেখেন, আমার প্রোডাক্ট ঠিকমত হয়নি, এ রকম হলে কিন্তু ভবিষ্যতে আমি আপনাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করব। স্নিকার্সের বদলে লোফার কীভাবে এলো— সেই বিষয়ে দারাজের কোনো কর্মকর্তা মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে মঙ্গলবার দারাজের মিডিয়া পার্টনার ফোরথট পিআর লিমিটেডের ম্যানেজার বকুল রয় জানান, গ্রাহকের অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দারাজ কর্তৃপক্ষ ক্রেতার সঙ্গে কথা বলেছে। ক্রেতাকে তার পণ্য বুঝিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তিনি দাবি করেন, এটি দারাজ কর্তৃপক্ষের কোনো ভুল নয়, ভুল করেছে সেলার। আমরা অভিযোগ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিয়েছি। তবে বুধবার রাতে ভুক্তভোগী আনিসুর রহমান জানান, এখনো তিনি পণ্যটি পাননি। এ বিষয়ে দারাজের পার্টনার ফোরথট পিআর আশ্বাস দিয়েছিল, তারা প্রতিবেদকের সঙ্গে এ বিষয়ে বুধবার যোগাযোগ করবে। কিন্তু বুধবার রাত ৮টা পর্যন্ত কোম্পানির পক্ষ থেকে কোনো মন্তব্য জানানো হয়নি।
বাবু/এসআর