মঙ্গলবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে এ আদেশ দেন বিচারপতি মো. সেলিম ও বিচারপতি মো. রিয়াজ উদ্দিন খানের হাইকোর্ট বেঞ্চ।
ফখরুল-আব্বাসের পক্ষে জামিন শুনানিতে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও আইনজীবী সগীর হোসেন লিওন এবং রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ বি এম গোলাম মোস্তফা। সোমবার (২ জানুয়ারি) আসামিদের পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করেন।
এর আগে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসের জামিন আবেদন তিনবার নাকচ করে ঢাকার চিফ মেট্রপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম)।
পুলিশের ওপর হামলার পরিকল্পনা ও উসকানি দেওয়ার অভিযোগে পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন বিএনপির শীর্ষ এই দুই নেতা।
গত ৮ ডিসেম্বর রাতে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। পরদিন আদালত জামিন নাকচ করে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়। ৭ ডিসেম্বর নয়াপল্টনের সংঘর্ষের ঘটনায় পল্টন থানার মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
একই মামলায় ৮ ডিসেম্বর সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব খাইরুল কবির খোকন, চেয়ারপারসেন বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসসহ ৪৫০ জনকে কারাগারে পাঠানো হয়।
তবে ওই দিন ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমানউল্লাহ আমান ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের ভূঁইয়া জুয়েলের জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।