খাদ্য সংকটে হাহাকার চলছে পাকিস্তানজুড়ে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

রিজার্ভ কমে যাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের অর্থনীতি।

2023-01-22T18:54:56+00:00
2023-01-22T18:54:56+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
খাদ্য সংকটে হাহাকার চলছে পাকিস্তানজুড়ে
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: রোববার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৩, ৬:৫৪ পিএম   (ভিজিট : ১৪৯)
X

রিজার্ভ কমে যাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিরতা ও স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দেশ পাকিস্তানের অর্থনীতি। পাকিস্তানের গৌরবখ্যাত তুলা বুনন শিল্পের অবস্থাও শোচনীয়। এ শিল্পে নিয়োজিত অসংখ্য কর্মী হারিয়েছেন চাকরি। অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণে বেড়েছে খাদ্যপণ্যের দাম। আর সবকিছু মিলিয়ে এখন পাকিস্তানজুড়ে চলছে হাহাকার।


বিশ্বের অন্যতম বড় টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদনকারী দেশ পাকিস্তান ২০২১ সালে ১৯ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করেছিল। যা মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি ছিল।


কিন্তু ছোট টেক্সটাইল ও টেক্সটাইল পণ্য উৎপাদনকারী অসংখ্য কারখানা, যেগুলো বিছানার চাদর, তোয়ালে এবং ডেনিম ইউরোপের বাজারে রপ্তানি করতো সেগুলো তুলার অপ্রতুলতার কারণে বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া টেক্সটাইল শিল্পে কর বৃদ্ধির বিষয়টিও মরার ওপর খাঁড়ার ঘা হিসেবে এসেছে।


রিজার্ভ সংকটের কারণে এখন টেক্সটাইল পণ্যের কাঁচামাল, চিকিৎসা সামগ্রী এবং খাদ্যপণ্য আটকে আছে করাচি পোর্টে ।


পাকিস্তান টেক্সটাইল অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া তথ্যে অনুযায়ী, এ শিল্পে নিয়োজিত ৭০ লাখ মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। গত বছর পুরো পাকিস্তানজুড়ে বিধ্বংসী যে বন্যা হয়েছিল সেটির কারণে বেশিরভাগ তুলা শস্য নষ্ট হয়ে গেছে।


পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত সপ্তাহে জানায়, বিদেশি রিজার্ভের পরিমাণ কমে দাঁড়িয়েছে ৪ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলারে। ২০১৪ সালের পর যা সর্বনিম্ন। যার প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার দিয়েছে সৌদি আরব। তবে এ অর্থ ব্যবহার করা যাবে না। বর্তমান রিজার্ভ দিয়ে মাত্র তিন সপ্তাহের পণ্য আমদানি করতে পারবে ইসলামাবাদ।


এছাড়া সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতাও কমেছে বহুলাংশে। গত শনিবার সিন্ধ প্রদেশের মিরপুর খাস নামক একটি স্থানে কমমূল্যের আটা কিনতে গিয়ে মানুষের নিচে চাপা পড়ে হারিসং কোলহি নামে এক ব্যক্তি প্রাণ হারান। তিনি তার স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য ৬০ রুপি দরে ৫ কেজি আটা কিনতে গিয়েছিলেন। সাধারণ বাজারে বর্তমানে প্রতি কেজি আটা ১৩০ থেকে ১৪০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।


সিন্ধ প্রদেশের এই ঘটনা পাকিস্তানের আসন্ন অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের একটি মাত্র উদাহরণ। অর্থনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যাওয়ার বিরূপ প্রভাব ইতোমধ্যেই দেশটির নিম্ন আয়ের মানুষের ওপর পড়েছে।


বাবু/জেএম







Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy