প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩, ৮:৫৫ এএম (ভিজিট : ১৫০)

X
ব্যাংকের নির্ধারিত সময়সূচি শেষে লেনদেনের বৈধতা বিষয়ে ব্যাখ্যা জানাতে রাজধানীর ন্যাশনাল ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখার প্রধানকে তলব করেছেন হাইকোর্ট। ১২ মার্চ তাকে সশরীরে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে। একইসঙ্গে ওই শাখায় রাত ৮টার পর ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা লেনদেনের ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংক কী ব্যবস্থা নিয়েছে তা জানতে চেয়েছেন আদালত। এ সংক্রান্ত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে।
এছাড়া কর্মঘণ্টার বাইরে রাতে ওই টাকা লেনদেন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত। এ বিষয়ে পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে সোমবার বিচারপতি মো. নজরুল তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট স্বপ্রণোদিত হয়ে এ আদেশ দেন। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), বিএফইউসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
একটি জাতীয় দৈনিকে ১৮ ফেব্রুয়ারি ‘রাত ৮টার পর ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে তোলা হয় প্রায় ২৩ কোটি টাকা’ এ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। প্রতিবেদনটি আদালতে উপস্থাপন করেন দুদকের সিনিয়র আইনজীবী খুরশিদ আলম খান। এ সময় রাষ্ট্রপক্ষে ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল একেএম আমিন উদ্দিন মানিক ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আন্না খানম কলি উপস্থিত ছিলেন।
হাইকোর্টের নজরে আনা ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, ব্যাংকিং লেনদেনের সময়সূচি সকাল ১০টা থেকে বেলা সাড়ে ৩টা পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়া ও উত্তোলন করা যায়। তবে ন্যাশনাল ব্যাংকের গুলশান করপোরেট শাখা রাত ৮টার পর এক গ্রাহককে নগদ ২২ কোটি ৬০ লাখ টাকা দিয়েছে। এ ঘটনা ঘটেছে গত বছর ২৮ ডিসেম্বর। বাংলাদেশ ব্যাংক বলেছে, নির্ধারিত সময়ের পর নগদ লেনদেন করে ব্যাংকের কর্মকর্তারা গুরুতর অনিয়ম করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ জন্য শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ভাগ্যবান যে গ্রাহক এ সুবিধা পেয়েছে সেই কোম্পানির নাম ইনফ্রাটেক কনস্ট্রাকশন কোম্পানি লিমিটেড, যার কর্নধার আলী হায়দার রতন। ২৮ ডিসেম্বর বিকালে ব্যাংকটির পর্ষদে গ্রাহকের ঋণ নবায়ন হয়। এরপর ওই দিন সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে অনুমোদনের সিদ্ধান্ত শাখায় পাঠানো হয়। এরপর রাত ৮টা ২৩ মিনিট থেকে ৯টা ৪ মিনিটের মধ্যে তোলা হয় টাকা।
বাবু/এ আর