প্রকাশ: শনিবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২৩, ১০:১৯ পিএম (ভিজিট : ১৫৪)

X
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআইর চেয়ারম্যান ইমরান খান তার তৃতীয় স্ত্রী বুশরা বিবিকে ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী বিয়ে করেননি বলে দাবি করেছেন মুফতি মোহাম্মদ সাঈদ। তিনিই তাদের দুজনের বিয়ে পড়িয়েছিলেন।
গত বুধবার ইসলামাবাদের সিনিয়র সিভিল জজ নাসরুম মিনাল্লাহর আদালতে জবানবন্দি রেকর্ড করার সময় এমন দাবি করেন মুফতি সাঈদ।
বুশরা বিবির ইদ্দতের সময় পার হওয়ার আগেই ইমরান খানের সঙ্গে তার বিয়ে নিয়ে ইসলামাবাদের একটি আদালতে পিটিশন করা হয়েছে। এ পিটিশনের শুনানিতে হাজির হন মুফতি সাঈদ।
জবানবন্দিতে মুফতি সাঈদ বলেন, ইমরান খান যখন বুশরা বিবিকে বিয়ে করেন, তখন তার ইদ্দতকালীন সময় পার হয়নি। ইদ্দত হলো তালাক বা স্বামী মারা যাওয়ার পর ধর্মীয় বিধান মতে যে সময়ের মধ্যে একজন নারী বিয়ে করতে পারেন না, সেই সময়কাল। এই সময়কাল ১৩০ দিন।
ইমরান খান ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে বুশরা বিবিকে বিয়ে করেন। এটি ছিল তার তৃতীয় বিয়ে।
আদালতে দেওয়া জবানবন্দিতে মুফতি সাঈদ বলেন, ইমরান খানের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল ও তিনি পিটিআইর কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন। ইমরান খান ২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি তার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। ইমরান খান তাকে ওই সময় বুশরা বিবির সঙ্গে বিয়ে পড়িয়ে দিতে বলেন। তখন বুশরা বিবির বোন পরিচয় দেওয়া একজন বলেছিলেন—তার ইদ্দত পালন সম্পন্ন হয়েছে। এ ছাড়া শরিয়ত মোতাবেক সবকিছুই করা হয়েছে। তার ওই বোনের কথা শুনে তখন তিনি দুজনের বিয়ে পড়িয়েছিলেন।
তবে কিছু দিন পর ইমরান জানতে পারেন, বুশরা তার সম্পূর্ণ ইদ্দত পালন করেননি। এ জন্য তিনি পরের মাসেই যোগাযোগ করেন তাদের আবার বিয়ে পড়িয়ে দেওয়ার জন্য।
মুফতি সাঈদ আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়বার বিয়ে পড়ানোর সময় আমাকে বলা হয়, ২০১৭ সালের নভেম্বরে বুশরা বিবির তালাক হয়েছিল। আগে বিয়ের সময় তার ইদ্দত সম্পন্ন হয়নি। তাই আবার বিয়ের আয়োজন করা হয়েছে। তবে তাদের একটি ধারণা ছিল, ১ জানুয়ারি যদি ইমরান খান বুশরাকে বিয়ে করেন, তবে তিনি প্রধানমন্ত্রী হতে পারবেন।’
মুফতি সাঈদের অভিযোগ, কেবল একটি ধারণা বা পূর্বাভাসের ওপর ভিত্তি করে অবৈধ বা ইসলামবহির্ভূত নিয়মে বিয়ে করেছিলেন ইমরান খান ও বুশরা বিবি।
বাবু/মম