স্বাধীনতাবিরোধীদের অব্যাহত ষড়যন্ত্র

ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া

মতামত

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ৩০ লক্ষ শহিদের প্রাণ এবং ২ লক্ষ মা-বোনের

2023-07-28T14:05:02+00:00
2023-07-28T14:05:02+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
স্বাধীনতাবিরোধীদের অব্যাহত ষড়যন্ত্র
ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়া
প্রকাশ: শুক্রবার, ২৮ জুলাই, ২০২৩, ২:০৫ পিএম   (ভিজিট : ১৭৮)
X


এক সাগর রক্তের বিনিময়ে ১৯৭১ সালে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা। ৩০ লক্ষ শহিদের প্রাণ এবং ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে আমরা পেয়েছি আজকের এই বাংলাদেশ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্বে এবং দিক-নির্দেশনায় বাঙালি জনগণ একতাবদ্ধ হয়ে আজকের এই বাংলাদেশ নির্মাণ করেছেন। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে শেখ মুজিবুর রহমানের সেই ঐতিহাসিক ভাষণের দ্বারা উদ্বুদ্ধ হয়ে বাঙালি জাতি দলে দলে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে নিজেদের জীবন বাজি রেখে দিয়ে গেছেন বাংলাদেশের এই স্বাধীনতা। এই স্বাধীনতা অর্জনে খালি হয়েছে লক্ষ লক্ষ মায়ের কোল এবং ঝরেছে অনেক মায়ের চোখের পানি। বাঙালি জাতিকে স্বাধীন করতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান খেটেছেন দীর্ঘ ১৪ বছর জেল এবং বিসর্জন দিয়েছেন জীবনের সকল সুখ-শান্তি একটি যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশকে পুনরায় নির্মাণ করে তার উন্নয়নের সকল পথ দেখিয়ে গিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দেখানো পথেই হাঁটছে বাংলাদেশ এবং বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা দীর্ঘ ১৪ বছর যাবৎ কঠোর পরিশ্রম করে বাংলাদেশকে বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে গড়ে তুলেন। উন্নয়নের এমন কোনো দিক নাইÑ যেখানে বাংলাদেশের পদচারণা হয়নি। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ নেতৃত্বে অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ দিন দিন অনেক এগিয়ে যাচ্ছে।

গত এক দশকে আর্থ-সামাজিক খাতে ও নারীর ক্ষমতায়নে বাংলাদেশ অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে। শিশু মৃত্যুহার প্রতি হাজারে ২৩ দশমিক ৬৭-এ কমে এসেছে। প্রতি লাখ জীবিত জন্মে মাতৃমৃত্যুর হার ১৭৩-এ হ্রাস পেয়েছে। মানুষের গড় আয়ু বেড়ে হয়েছে ৭৩ বছর। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশি-বিদেশি নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে উন্নয়ন, অগ্রগতি আর সমৃদ্ধির পথে হাঁটছেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্য মুক্ত একটি প্রগতিশীল, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। বিগত ১৪ বছরে সর্বক্ষেত্রে যে সফলতা অর্জিত হয়েছে তার পথ ধরে ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশ উন্নত বিশ্বের কাতারে পৌঁছানোর অর্থাৎ বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার ক্ষেত্রে আরও একধাপ এগিয়ে যাবে। বিগত ১৪ বছরে সহস্রাদ্ধ উন্নয়ন লক্ষ্য (এমডিজিএস) অর্জনে আমাদের ঈর্ষণীয় সাফল্য দক্ষিণ এশিয়াসহ উন্নয়নশীল দেশসমূহের জন্য এক অনন্য দৃষ্টান্ত হিসেবে সমাদৃত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সুদক্ষ এবং দূরদর্শী নেতৃত্বে বিভিন্ন সূচকে বাংলাদেশ সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। উদাহরণস্বরূপ বিশ্ব অর্থনৈতিক স্বাধীনতা সূচক-২০২৩ প্রকাশ করেছে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণাপ্রতিষ্ঠান হেরিটেজ ফাউন্ডেশন। এই তালিকায় এবার ১৪ ধাপ উন্নতি করেছে বাংলাদেশ। ২০২৩ সালের সূচকে ৫৪.৪ পয়েন্ট স্কোর পেয়ে ১৭৬টি দেশের মধ্যে ১২৩তম অবস্থানে রয়েছে বাংলাদেশ। ২০২২ সালে ১৩৭তম। যুক্তরাজ্যের লন্ডনভিত্তিক দ্য ইকোনমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (ইআইইউ) এর ‘গণতন্ত্র সূচক ২০২২’ অনুযায়ী ১৬৭টি দেশ ও অঞ্চল নিয়ে করা বিশ্ব গণতন্ত্র সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান এগিয়ে দক্ষিণ এশিয়ায় তৃতীয় এবং বিশ্বে ৭৩তম হয়েছে যেখানে ২০২১ ও ২০২০ সালে বাংলাদেশ বিশ্বে যথাক্রমে ৭৫ ও ৭৬তম অবস্থানে ছিল।

জাতিসংঘের ওয়ার্ল্ড ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউআইপিও) উদ্ভাবন সূচকে ২০২১ সালে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১১৬তম২০২২ সালে ১৪ ধাপ এগিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান বিশ্বে ১৩২টি দেশের মধ্যে ১০২তম। গ্লোবাল টেরোরিজম ইনডেক্স বা আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ সূচকে পাকিস্তান, ভারত, এমনকি যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের চাইতেও এবার অনেকটাই ভাল অবস্থানে আছে বাংলাদেশ। বিশ্ব ব্যাংকের লজিস্টিকস পারফরম্যান্স সূচকে বাংলাদেশের উন্নতি হয়েছে। চলতি বছর অর্থাৎ ২০২৩ সালে এ তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ১৩৯টি দেশের মধ্যে ৮৮তম। এর আগে ২০১৮ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০০তম। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের ১২ ধাপ উন্নতি হয়েছে। ইন্টারনেট গতির সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ। ওকলার সর্বশেষ ২০২২ সালের নভেম্বর মাসের প্রতিবেদনে দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশর অবস্থান ১৪২টি দেশের মধ্যে ১১৯ নম্বওে যেখানে ২০২২ সালের শুরুতে বাংলাদেশের এই অবস্থান ছিলো ১৩০ নম্বরে। ডিজিটাল জীবনমান সূচকে ২৭ ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। ডিজিটাল কোয়ালিটি অব লাইফ ইনডেক্স ২০২২ অনুযায়ী, বিশ্বে বাংলাদেশ ২৭ ধাপ উপরে উঠে ১১৭টি দেশের মধ্যে ৭৬তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। ২০২১ সালে এই সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১০৩। করোনা থেকে সেরে ওঠার সূচকেও এগিয়ে ছিল বাংলাদেশ। বিশ্বের ১২১ দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিলো পঞ্চম। একই সঙ্গে সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যেও শীর্ষ অবস্থানে ছিল।

ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামÑ ‘গ্লোবাল জেন্ডার গ্যাপ-২০২৩’ শীর্ষক লিঙ্গ সমতা সূচকে এবার শূন্য দশমিক ৭২২ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ৬৫তম। গতবার অর্থাৎ ২০২২ সালে শূন্য দশমিক ৭১৪ স্কোর নিয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ৭১তম। ২০১৪ সাল থেকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষ স্থান ধওে রেখেছে বাংলাদেশ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গুরত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করায় বিশ্বে প্রশংসনীয় সব পুরস্কারে ভূষিত হয়ে বৃদ্ধি করে যাচ্ছেন বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের সম্মান। উদাহরণস্বরূপ জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি ক্ষুধার বিরুদ্ধে আন্দোলনে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শেখ হাসিনাকে সম্মানজনক  সেরেস মেডেল প্রদান করে। সর্বভারতীয় শান্তিসংঘ শেখ হাসিনাকে ১৯৯৮ সালে মাদার তেরেসা পদক প্রদান করে। একই বছর আন্তর্জাতিক রোটারি ফাউন্ডেশন তাকে পল হ্যারিস ফেলোশিপ প্রদান করে। পশ্চিমবঙ্গ সর্বভারতীয় কংগ্রেস ১৯৯৭ সালে তাকে প্রদান করে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু স্মৃতিপদক। আন্তর্জাতিক লায়ন্স ক্লাব ১৯৯৬-৯৭ সালে তাকে মেডেল অব ডিসটিংশন ও ১৯৯৬-৯৭ সালে হেড অব স্টেট পদক প্রদান করে।

শেখ হাসিনা ২০০৯ সালে সরকার গঠনের কিছুদিন পরেই শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় অসামান্য ভূমিকা পালনে ভারতের ইন্দিরা গান্ধী মেমোরিয়াল ট্রাস্ট থেকে লাভ করেন ইন্দিরা গান্ধী পুরস্কার। এছাড়া তিনি ব্রিটেনের গ্লোবাল ডাইভারসিটি পুরস্কার এবং দুবার সাউথ সাউথ পুরস্কারে ভূষিত হন। ২০১৪ সালে ইউনেস্কো তাকে শান্তির বৃক্ষ এবং ২০১৫ সালে উইমেন ইন পার্লামেন্টস গ্লোবাল ফোরাম নারীর ক্ষমতায়নের জন্য তাকে রিজিওনাল লিডারশিপ পুরস্কার এবং গেদ্বাবাল সাউথ-সাউথ ডেভেলপমেন্ট এক্সপো-২০১৪ ভিশনারি পুরস্কারে ভূষিত করে। খাদ্য উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে অবদানের জন্য আমেরিকার কর্নেল বিশ্ববিদ্যালয় ২০১৫ সালে তাকে সম্মাননা সনদ প্রদান করে। জাতিসংঘ পরিবেশ উন্নয়ন কর্মসূচি দেশে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পরিবেশ এবং টেকসই উন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখার জন্য লিডারশিপ ক্যাটাগরিতে শেখ হাসিনাকে তাদের সর্বোচ্চ পুরস্কার চ্যাম্পিয়ন অব দ্য আর্থ-২০১৫ প্রদান করে। এ ছাড়া টেকসই ডিজিটাল কর্মসূচি বাস্তবায়নে ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়ন (আইটিইউ) শেখ হাসিনাকে আইসিটিস ইন সাসটেইন্যাবল ডেভেলপমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০১৫ প্রদান করে। কিন্তু চরম দুঃখজনক বিষয় হচ্ছে মহান স্বাধীনতার শক্তিতে বিশ্বাসী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার তনয়া জননেত্রী শেখ হাসিনার দীর্ঘ দিনের প্রচেষ্টা এবং পরিশ্রমের ফলে বিশ্ব মানচিত্রে বাংলাদেশের যে অর্জন তা অস্বীকার করে স্বাধীনতার স্বপ্নকে নস্যাৎ করতে আজ একজোট স্বাধীনতাবিরোধীরা যারা মুক্তিযুদ্ধের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে আসতেছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাত ধওে দেশের উন্নয়ন এবং অগ্রযাত্রায় যে পথচলা তা একবিংশ শতাব্দীর শুরুতে থমকে দাঁড়ায়। ২০০১ সালে বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় আসে। আবার দুর্নীতির চক্রে নিপতিত হয় দেশ। হাওয়া ভবনের নামে তারেক জিয়া চালাতে থাকে লুটপাট। দুর্নীতিতে বাংলাদেশ শীর্ষে অবস্থান করে। অর্থনৈতিক উন্নয়ন সূচকের প্রায় সবগুলোতে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়তে থাকে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জঙ্গিবাদ, লুটপাট, দুর্নীতি ইত্যাদি অপরাধের এমন কোনো শাখা নাই যেখানে বিএনপি-জামায়াতের পদচারণা হয়নি। দেশ যখন এগিয়ে যাচ্ছে তখন বিএনপি জামায়াতের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড, জঙ্গিবাদ, নৈরাজ্য, অপরাজনীতি অব্যাহত রয়েছে। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে পড়েছে তারা। বিএনপি গণতন্ত্রের নাম দিয়ে দেশে  নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে চায়। মানুষে মানুষে সহিংসতা লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখে।

সন্ত্রাস এবং জঙ্গিবাদের মদদদাতা বিএনপি-জামায়াত তরুণদের প্ররোচনা দিয়ে সন্ত্রাসী এবং জঙ্গিবাদের দিকে ঠেলে দিয়ে দেশের তরুণ সমাজকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাচ্ছে। যাদের হাতে কলম থাকার কথা তাদের হাতে স্বাধীনতার বিপক্ষের শক্তি বিএনপি-জামায়াত অস্ত্র এবং বোমা তুলে দিয়ে দেশের মানুষের উপর তা চালিয়ে দেশের স্বাভাবিক পরিস্থিতিকে বিনষ্ট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। দেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রা নস্যাৎ করতে দেশকে নিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে ষড়যন্ত্র করতে লবিং রাজনীতির মতো অপরাজনীতি করছে এই বিএনপি-জামায়াত। দেশের টাকা লুটপাট করে ঐ টাকা দিয়ে লবিং করে বিএনপি-জামায়াত দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা ব্যাহত করছে চেষ্টা করে যাচ্ছে। স্বাধীনতাবিরোধী এই বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার বিরোধিতা করে আসতেছে। বরাবরের মতো এখনো স্বাধীনতাবিরোধীরা একজোট হয়ে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও স্বাধীনতার স্বপ্নকে নস্যাৎ করতে এবং দেশের অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করে পিছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় এসে স্বাধীনতাবিরোধী এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। মহান মুক্তিযুদ্ধের শক্তিতে বিশ্বাসী বাংলাদেশের জনগণের উচিত বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় বিশ্বাসী আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে একতাবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতার স্বপ্নকে নস্যাৎকারী স্বাধীনতাবিরোধী জোটকে প্রতিহত করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার মাধ্যমে বাংলাদেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার ধারা অব্যাহত রাখা।

লেখক : ট্রেজারার, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও অধ্যাপক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

বাবু/এ.এস






Loading...
Loading...


মতামত এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy