স্বাধীনতার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অন্যায্য তুলনা

    
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬ ১০ মাঘ ১৪৩২
শুক্রবার ২৩ জানুয়ারি ২০২৬
স্বাধীনতার প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির অন্যায্য তুলনা
মোস্তফা কামাল
প্রকাশ: শুক্রবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৫:৩৭ PM আপডেট: ১৫.১২.২০২৩ ৫:৪৫ PM (Visit: 1290)

অতৃপ্তি-অপ্রাপ্তির হিসাব কষা মানুষের চিরন্তন বৈশিষ্ট্য। ফালানো-ছিটানো কথা বলার একটা অভ্যাস বা স্বভাবও আমাদের অনেকের মজ্জাগত। এ চর্চা কখনো কখনো একাত্তরের স্বাধীনতা নিয়েও হয়। একেবারে সরাসরি না বললেও স্বাধীনতা কী দিয়েছে? বা কেবল একটি মানচিত্রই দিয়েছে? এ ধরনের প্রশ্নবোধক হাপিত্যেশ শোনা যায়। 

মনে রাখা দরকার আমাদের স্বাধীনতা ভাগযোগ করে নেয়ার মতো কারো দেয়া দান-অনুদান নয়। কোনো আলোচনার টেবিল বা সমঝোতায়র প্রাপ্তিও নয়। ইতিহাসের নৃশংসতম হত্যাযজ্ঞে বহু রক্তঝরার বিনিময়ে স্বাধীন হয় পূর্ববাংলা তথা বাংলাদেশ। টানা ৯ মাসের যুদ্ধ শেষে একাত্তরের ১৬ ডিসেম্বর ধরা দেয় রক্তভেজা স্বাধীনতা। এর আগে, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার ঘোষণা পাওয়া মাত্র মৃত্যুকে তুচ্ছজ্ঞান করে গড়ে তোলে প্রতিরোধ। যুদ্ধজয়ের পর শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করা বাঙালির পরের গল্পটা কেবলই এগিয়ে যাওয়ার। নানা পিছুটান, ষড়যন্ত্র সত্বেও স্বাধীনতা পরবর্তী পাঁচ দশকের বেশি সময় ধরে বাঙালির বহু অর্জন। কোনো কোনোটি বিস্ময়করও। 

বঙ্গবন্ধু সোনার বাংলার আশ্বাস দিয়েছিলেন, শুরুও করেছিলেন। গড়ে যেতে পারেননি। ভিত্তিটা গেঁথে দিয়ে গেছেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত দেড়  দশকে বাংলাদেশকে যে উচ্চতায় এনেছেন তাও অনেকের ভাবনা ও প্রত্যাশার বাইরে। দেশ স্বাধীনের পর দেশে মানুষ ছিল সাত কোটি। তাৎক্ষণিক আকাঙ্খা ছিল দু’বেলা খাওয়া, একটু আশ্রয়, কিছু পরিধান। আর অন্তর্নিহিত আকাক্সক্ষা ছিল অর্থনৈতিক মুক্তি, রাজনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক মুক্তি। অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক মুক্তির সংজ্ঞা নিয়ে নানা ধরনের তর্ক-বিতর্ক হতে পারে, কিন্তু গভীরভাবে দেখলে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ একটি শোষণহীন সমাজ, জনগণের রাজনৈতিক অধিকার এবং অর্থনৈতিক প্রগতি ও উন্নতির কথা বলেছে। এখন দেশে মানুষ ১৭ কোটির বেশি। আবাদি জমির পরিমাণ ২৫ শতাংশ কমেছে। কিন্তু, আকাক্সক্ষা আকাশ ছোঁয়া। তা যে একেবারে একটু একটু করে ধরা দিচ্ছে না- এমনও নয়। বিগত কয়েক বছরে অবকাঠামোগত উন্নয়ন, অর্থনৈতিক অগ্রগতিসহ নানা অগ্রযাত্রা নজির তৈরি হয়েছে।  

অর্থনৈতিক উন্নয়নের বেশ কিছু মানদণ্ডে—যেমন পরিপূর্ণভাবে দারিদ্র্য দূরীকরণ, বৈষম্য হ্রাস, শ্রমবাজারে ন্যায্য আয়ের কর্মসংস্থান তৈরিতে ঘাটতি আছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কয়েকটি খাতেও সীমাবদ্ধতা আছে। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বাংলাদেশের রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ইতিহাস নিয়ে সঠিক ধারণার অভাব রয়েছে। কারণ, এসব নিয়ে আলোচনার চেয়ে তর্কবিতর্ক হয় বেশি। তাই আলোচনাগুলো বাস্তবভিত্তিক না হয়ে অনেকটা একপেশে হয়ে যায়। অর্থনীতি, সমাজনীতি, রাজনীতি নিয়ে আলোচনা বা লেখালেখি প্রয়োজনের তুলনায় বেশ কম। এর বিপরীতে প্রাপ্তি কী নেহায়েত কম?

উন্নয়নের মহাসড়কে দ্রুত ছুটে চলা স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ যে এখন কেবল সাহায্যগ্রহীতা নয়, সাহায্যদাতার কাতারেও উঠে এসেছে সেই তথ্যটির প্রচার কম। বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত থেকে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদায় উত্তরণের সুপারিশ করেছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদ। আনুষ্ঠানিক অনুমোদনের মধ্য দিয়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে এখন চূড়ান্তভাবে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ ঘটল বাংলাদেশের। ৭৫ বছর আগে স্বাধীন হওয়া পাকিস্তানকে পেছনে ফেলে এমনকি ভারতকেও ছুঁয়ে ফেলেছে প্রায়। সোমালিয়া, সুদান, শ্রীলঙ্কাকে সাহায্য সহযোগিতা করে ইতোমধ্যে বিশ্বে বেশ ভালো সাড়া ফেলেছে বাংলাদেশ। ২০১৫ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের অর্জনের জন্য এসডিএসএনসহ কয়েকটি সংস্থা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে পুরস্কৃত করেছে। সংস্থাগুলো বাংলাদেশের অবস্থা বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ বিস্ময়কর সাফল্যের প্রশংসা করেছে। কৃষিনির্ভর অর্থনীতি ছিল একসময় এ অঞ্চলে। কিন্তু সেই কৃষিনির্ভর অর্থনীতি থেকে ক্রমশ বেরিয়ে এসে শিল্প ও সেবাখাতমুখী হয়েছে আমাদের অর্থনীতি। বিস্ময়কর অগ্রগতি ঘটেছে কৃষি খাতে। করোনার দুঃসময়ে আমাদের রফতানি আয় ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি, বরং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের হার বেড়েছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের রিজার্ভও বেড়েছে। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় এখন ২৫৫৪ ডলার। বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ডিজিটাল ফিন্যান্সের দ্রুত বিকাশ ঘটেছে গত এক দশক সময়ে। এই অগ্রগতির উজ্জ্বল প্রকাশ লক্ষ করা যায় অর্থনীতিতে ডিজিটাল ফিন্যান্সের অভাবনীয় উন্নয়ন। উদ্ভাবনী ক্ষমতার চর্চা এবং ডিজিটালাইজেশন বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করবে আশা করা যায়। মানে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা দিনে দিনে বাস্তব হয়ে ধরা দিচ্ছে।  

উচ্চাভিলাসী হলেও সরকারি এবং বেসরকারি নানা উদ্যোগ এ প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিচ্ছে। সরকারি বিভিন্ন আর্থিক অনুদান, সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি, বিভিন্ন ধরনের ভাতা খুব সহজে সুবিধাভোগীর হাতে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল ফিন্যান্স বা আর্থিক ব্যবস্থা অত্যন্ত কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। দেশের সর্বস্তরের জনগণকে আর্থিক সেবার আওতায় নিয়ে আনাটা মস্তবড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সে চ্যালেঞ্জে জয়ী হয়েছে বাংলাদেশ। দেশের বেশিরভাগ মানুষ ব্যাংকিং সেবার আওতার বাইরে থাকায় তাদের পক্ষে আর্থিক লেনদেন বেশ কঠিন ছিল। কিন্তু ডিজিটাল ফিন্যান্স তাদের আর্থিক লেনদেনের চমৎকার সুযোগ এনে দিয়েছে। ১৯৭১ সালের ২৪ বছর আগে ১৯৪৭ সালের মধ্য আগস্টে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ তাদের কলোনি ভারতবর্ষ ছেড়ে চলে যায়। একই সঙ্গে দেশটিকে হিন্দু-মুসলমান সাম্প্রদায়িকতার ভিত্তিতে দুই ভাগ করে দিয়ে যায়। দুটি দেশ হলো ভারত ও পাকিস্তান। পূর্ববাংলা হয় পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত। অন্যদিকে ভারতের স্বাধীনতা এসেছিল ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্টের মধ্যরজনীতে। যদিও একই সঙ্গে দেশটি আর অখণ্ড থাকেনি। ১৯৪৭ সালের ১৫ আগস্ট ভারতের স্বাধীনতা দিবস। আর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনের বিজয় দিবস। এ দুটি দিনের পার্থক্য অনেক। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ২৩ বছর ধরে সংগ্রামের বাঁকে বাঁকে প্রতিষ্ঠিত গৌরবোজ্জ্বল মাইলফলক, ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন, ৭ মার্চের ভাষণ, বঙ্গবন্ধুর স্বাধীনতা ঘোষণা, মুজিবনগর সরকার, স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র, জয় বাংলা স্লোগান ইত্যাদির সম্মিলিত শক্তির জোরেই ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস এবং ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস।

১৯৪৭ সালের স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে এক চমৎকার বিবরণ দিয়েছেন তদানীন্তন বোম্বে ক্রনিক্যাল-এর সম্পাদক ও বিখ্যাত লেখক ডি এফ কারাকার তাঁর একটি বইয়ে। ইংরেজিতে লেখা বইয়ের শিরোনাম ‘দ্য বিট্রেয়াল অব ইন্ডিয়া‘। ১৯৪৭ সালের ১৪ ও ১৫ আগস্ট উৎসবমুখর ছিল বোম্বে শহর।  সেখানে প্রচুর খানাপিনা ও উৎসবের আয়োজন করা হয়েছিল। সেই আয়োজনের মধ্যে ছিলেন বোম্বের ইংরেজ শাসক শ্বেতাঙ্গ গভর্নর। আরও ছিলেন স্থানীয় কংগ্রেস নেতারা এবং কালো চামড়ার গণ্যমান্য ভারতীয়রা। তাদের মধ্যে জওহরলাল নেহরুর বোন কৃষ্ণা হাতিসিংহও ছিলেন। ঠিক মধ্যরজনীতে ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের ইউনিয়ন জ্যাক পতাকা নামল এবং বিপুল করতালির মধ্যে ভারতের তিন রঙের পতাকা উত্তোলিত হলো। উপস্থিত সাদা ও কালো-বাদামি চামড়ার মানুষেরা পরস্পরকে অভিনন্দিত করল। আলিঙ্গন করল। ডি এফ কারাকার লিখেছেন, শাসক-শাসিতের সম্পর্কের, প্রভু-দাসের সম্পর্কের সত্যিই অবসান হলো মাত্র এক রাতের মধ্যে?’ ১৯৪৭ সালের মধ্য আগস্টের বোম্বের সঙ্গে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বরের ঢাকার কী তফাৎ? বাংলাদেশে সেদিন শত্রুর সঙ্গে আলিঙ্গন দূরের কথা, হাত পর্যন্ত মেলঅনোর ঘটনা ঘটেনি। আগের দিন পর্যন্ত পরস্পরের দিকে ছিল বন্দুক তাক করা। এমনকি ১৬ ডিসেম্বরের সকালেও ঢাকায় পাকিস্তানি দস্যুদের গুলিতে মানুষ মারা গেছে। সেদিন ঢাকার রাস্তায় আরও অনেকে হতাহত হয়েছে। 

এমন প্রাপ্তির সঙ্গে অপ্রাপ্তি-অতৃপ্তি টানাই কাম্য হওয়া উচিৎ নয়। মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা জড়িয়ে আছে বাঙালির আত্মপরিচয়ের সঙ্গে। তা আগামীর দিকে ধাবিত হওয়ার স্বপ্নÑ আকাক্সক্ষা জাগাতেই থাকবে। দেশে যে সামাজিক বৈষম্য বিদ্যমান তা করা মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম আকাক্সক্ষা। মুক্তিযুদ্ধের অন্তর্নিহিত আকাঙ্ক্ষা থাকাও একটি সুখকর বিষয়। তাই অতৃপ্তিতে না গিয়ে মুক্তিযুদ্ধের আকাক্সক্ষা, উদ্দেশ্য ও লক্ষ্য কীভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব তা নিয়ে আলোচনা হতেই পারে। হওয়াই উচিৎ। সেইসঙ্গে ৫২ বছরে অর্থনৈতিক উন্নয়ন বিশ্লেষণও আমলে রাখার বিষয় রয়েছে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর উল্টোপথের যাত্রা থেকে বাংলাদেশকে আবার উন্নতির দিকে ফেরানোও কি কম কথা? তারওপর ২০০৯ সাল থেকে ধারাবাহিকভাবে অপ্রতিরোধ্য অগ্রযাত্রা, দুর্বার গতিতে এগিয়ে চলা, প্রায় প্রতিটি খাতে অগ্রগতিসহ আর্থসামাজিক উন্নয়নে বাংলাদেশ বিশ্বে রোল মডেল হয়ে ওঠা পরিমাপের পাল্লা-বাটখারাও ঠিক রাখা চাই। 

গত এক দশকে বাংলাদেশের স্থিতিশীল জিডিপির প্রবৃদ্ধি অর্জন, এমনকি মহামারির সময়ও এ দেশের জিডিপির প্রবৃদ্ধি, মাথাপিছু আয় উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বাংলাদেশের অর্থনীতির ধারাবাহিকতাকে নির্দেশ করে। অনেক অবধারিত উন্নয়ন শোভাবর্ধন করছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশের সাহসী এবং অগ্রগতিশীল উন্নয়ন কৌশল গ্রহণের ফলে সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, কাঠামোগত রূপান্তর ও উল্লেখযোগ্য সামাজিক অগ্রগতির মাধ্যমে বাংলাদেশকে দ্রুত উন্নয়নের পথে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি, অর্থনীতিসহ সব ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সাফল্য অনেক। লিঙ্গ সমতা, দারিদ্র্যসীমা হ্রাস, গড় আয়ু বৃদ্ধি, রপ্তানিমুখী শিল্পায়ন, ১০০টি বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল, পোশাক শিল্প, ঔষধ শিল্প, রপ্তানি আয় বৃদ্ধিসহ নানা অর্থনৈতিক সূচক বাংলাদেশকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছে। পদ্মা সেতু, কর্ণফুলী নদীর তলদেশে বঙ্গবন্ধু টানেল, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র, পায়রা গভীর সমুন্দ্রবন্দর, ঢাকা মেট্রোরেলসহ দেশের মেগা প্রকল্পগুলো সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাহসী পদক্ষেপে।  ১৯৭২-৭৩ সালে আমাদের মাথাপিছু আয় ছিল মাত্র ৯৪ ডলার। আর ২০২১-২২ সালে আমাদের মাথা পিছু আয় ২৮২৪ মার্কিন ডলার। মাথাপিছু মোট দেশজ উৎপাদন- জিডিপি পরপর দুই বছর ধরে ভারতের চেয়ে এগিয়ে থেকেছে বাংলাদেশ। বহু কণ্টকাকীর্ণ পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশের এই বিস্ময়কর অগ্রযাত্রায় যেন ছেদ না পড়ে সেদিকে সতর্ক থাকার বিষয় রয়েছে। আর বিষয়টি রাজনীতির নয়, বোধ-উপলব্ধির বিবেচনা জড়িয়ে আছে এখানে।

লেখক : সাংবাদিক ও কলামিস্ট 








  সর্বশেষ সংবাদ  


  সর্বাধিক পঠিত  


এই ক্যাটেগরির আরো সংবাদ
সম্পাদক ও প্রকাশক:
মো. আশরাফ আলী
কর্তৃক এইচবি টাওয়ার (লেভেল ৫), রোড-২৩, গুলশান-১, ঢাকা-১২১২।
মোবাইল : ০১৮৪১০১১৯৪৭, ০১৪০৪-৪০৮০৫৫, ই-মেইল : thebdbulletin@gmail.com.
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy