প্রকাশ: শুক্রবার, ৪ আগস্ট, ২০২৩, ৪:৩৯ পিএম (ভিজিট : ১৫২)

X
ভারতের কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে ফৌজিদারি মানহানি মামলায় স্থগিতাদেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। 'মোদি উপাধি' নিয়ে মন্তব্যের জেরে তাকে এর আগে দু'বছরে সাজা দিয়েছিল সুরাত আদালত।
সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে প্রথম গুজরাট হাইকোর্ট এবং পরে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন রাহুল। মানহানির সেই মামলাতে থেকে অবশেষে রেহায় পেলেন তিনি।
রাহুল গান্ধী এপ্রিল মাসে সুরাটের একটি দায়রা আদালতকেও বলেছিলেন যে ২০১৯ সালের মানহানির মামলায় ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বারা তার দোষী সাব্যস্ত করা ছিল ভুল। তিনি আরও বলেন, তার বক্তব্যকে স্পষ্টভাবে বিকৃত করা হয়েছে এবং একজন সংসদ সদস্য হিসেবে অযোগ্য প্রমাণ করার জন্য তাকে এমনভাবে সাজা দেওয়া হয়েছিল। তিনি জানান ট্রায়াল কোর্ট তার সঙ্গে কঠোর আচরণ করেছিল, যা একজন এমপি হিসেবে তার মর্যাদাকে 'অপ্রতিরোধ্যভাবে' প্রভাবিত করেছিল।
আজ সুপ্রিম কোর্ট বলে, 'আবেদনকারীর বক্তব্যগুলো যে ভালো ছিল না, তা নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই। আবেদনকারীকে বক্তৃতা দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সতর্ক থাকা উচিত।'
আদালত আরও জানায়, 'অযোগ্যতার প্রভাবগুলো কেবল ব্যক্তির অধিকারকেই প্রভাবিত করে না, ভোটারদেরও প্রভাবিত করে।'
মোদি পদবি মামলায় রাহুল গান্ধীকে দোষী সাব্যস্ত করে দু-বছরের সাজা দিয়েছিল গুজরাতের সুরাত আদালত। সেই রায় এদিন খারিজ করে দেয় সুপ্রিম কোর্ট। এর ফলে তিনি লোকসভার সাংসদ পদও ফিরে পাচ্ছেন। সুরাত আদালত তার শাস্তি বহাল করায় লোকসভার সংসদ পদ কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।
সুপ্রিম কোর্টে সেই মামলার শুনানি শুরু হয় শুক্রবার। সর্বোচ্চ আদালত সেই মামলায় সুরাত আদালতের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ দেয়।
গুজরাট সরকারের সাবেক মন্ত্রী পূর্ণেশ মোদি রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন। ২০১৯ সালে রাহুল গান্ধী কর্ণাটকে একটি নির্বাচনী জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন।
বাবু/এ.এস