
X
মাত্র কিছুদিন পূর্বেই মহা আড়ম্বরের সাথে আমরা উদযাপন করলাম আমাদের জাতির জনক, হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী। করোনা মহামারির প্রকোপে বছরব্যাপী পালিত এই আয়োজন কিছুটা রঙ হারালেও, আদতে বিশ্ববাসীর মনযোগ আকর্ষণে সফল হয়; যার উদাহরণ আমরা দেখতে পাই, বাংলাদেশে ‘মুজিব বর্ষ’ ঘোষণার কিছুদিন পরই ভারতে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মজয়ন্তী উদযাপনে ‘নেতাজী বর্ষ’ উদযাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ফলত, ‘শহিদ মুজিব’ও যে জীবিত মুজিবের চেয়ে কোনো অংশে কম নন, তা বাংলাদেশের রাজনীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও স্বীকৃতি লাভ করে।
এ কথা অস্বীকার করলে চলবে না, প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ দু-ভূমিকাতেই স্বাধীনতার পূর্ব হতে আজ অবধি বাংলাদেশের রাজনৈতিক-সামাজিক প্রেক্ষাপটে প্রধান চরিত্র বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব। পঁচাত্তরে ঘাতকদের হাতে নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হওয়ার পরও স্বীয় অনুগামীদের জন্য তাঁর নামটিই সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা এবং বিরোধীদের প্রধান ত্রাস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। সামগ্রিক বাস্তবতায় বঙ্গবন্ধুর বিকল্প তাই এই দেশে না অতীতে ছিলো, না বর্তমানে রয়েছে, ভবিষ্যতেও হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
বঙ্গবন্ধুর সময়কার পররাষ্ট্রনীতি ও তৎকালীন বিশ্ব রাজনীতির পূর্বাপর বুঝতে হলে, আমাদেরকে প্রথমেই তাঁর রাজনৈতিক উত্থান ও দর্শন সম্পর্কে জানতে হবে। কলকাতায় ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় তিনি পুরোদস্তুর রাজনীতিক বনে যান। তিনি যে সময়টায় পুরোদমে রাজনীতির ময়দানে জড়িয়ে যান, তখন উপমহাদেশ জুড়ে পাকিস্তান আন্দোলন তুঙ্গে। বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটেও সময়টা ভীষণ অস্থির ও টালমাটাল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের দামামা সর্বত্র বেজে চলেছে। ভারতেও ব্রিটিশদের পক্ষে-বিপক্ষে হুলস্থূল চলছে। তাই, তখনকার বিশ্ব রাজনীতির উত্তাপ ভারত তথা বঙ্গদেশেও এসে পড়ে। পরাশক্তি পালাবদলের সে যুগে বঙ্গবন্ধুও নতুনত্বের অন্বেষণ করেছিলেন। সেকালের শিক্ষিত মুসলিম তরুণদের মতোই তিনিও যোগ দিয়েছিলেন মুসলিম লীগে। তাঁর আশা ছিল, নতুন রাষ্ট্র পাকিস্তান পিছিয়ে থাকা সাধারণ মুসলিম জনগণের কল্যাণ সাধন করবে। কিন্তু বাস্তবে তাঁর স্বপ্ন অধরাই থেকে গিয়েছিল।
পরবর্তীতে, পাকিস্তান রাষ্ট্রের সূচনালগ্নেই তাঁর মোহভঙ্গ ঘটে। রাষ্ট্রভাষার প্রশ্ন থেকে আরম্ভ করে নীতি-নির্ধারণী প্রতিটি প্রশ্নে বঙ্গবন্ধু পাক নেতৃত্বের প্রতি আস্থা হারান। তিনি উপলব্ধি করেন সুবিধাভোগী শ্রেণির হাত থেকে মুসলিম লীগকে সাধারণের হাতে ফিরিয়ে দেওয়া প্রায় অসম্ভব কাজ। ফলে তাঁর চেষ্টা থাকে সাধারণের অধিকার আদায় এবং ভাগ্য ফেরানোর জন্য নতুন একটি দল গঠনের।
পঞ্চাশের দশকের মাঝামাঝি হতেই বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের মূলধারার রাজনীতিকদের একজন হয়ে উঠেন। তখন বিশ্বরাজনীতির প্রেক্ষাপট ক্রমশ স্নায়ুযুদ্ধের দিকে ধাবমান। প্রতিটি ক্ষেত্রে সোভিয়েত-মার্কিন দ্বন্দ্ব তখন স্পষ্টরূপ ধারণ করছে প্রায়। বঙ্গবন্ধু বুঝলেন, সোভিয়েতপন্থি রাজনীতি আদতে এ দেশের সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের জন্য কার্যকর নয়। একইভাবে, বাঙালি জাতীয়তা ও ধর্মীয় ভাবধারার সঙ্গে কমিউনিজমের বিষয়টিও ঠিক খাপ খায় না। ফলত, তিনি তাঁর রাজনৈতিক গুরু গণতন্ত্রের মানসপুত্র হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দীর মতো মার্কিনপন্থি রাজনীতিতে আগ্রহী হোন। শিল্পের বিকাশ, বন্টন ব্যবস্থার উন্নতি, সাধারণ মানুষের ভাগ্যোন্নয়নের তাড়না এবং গণতন্ত্রের অধিকার তাঁর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রধান ভূমিকা পালন করে।
তবে, ১৯৫২ সালের প্রথমদিকে গণচীন ভ্রমণের অভিজ্ঞতা বঙ্গবন্ধুর জনভিমুখী রাজনীতির ক্ষেত্রে ব্যাপক ভূমিকা রেখেছিলো বলে তিনি নিজেই লিখেছেন। রাজনৈতিক জীবনের শুরুতেই জনকল্যাণে সমাজতন্ত্রের গুরুত্ব তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। ফলত, গণতন্ত্র, সাম্য ও সমাজতন্ত্রের অপূর্ব মিশেলে এক পরিণত ও পরিপূর্ণ রাজনীতিক ব্যক্তিত্বে পরিণত হোন তিনি।
ষাটের শুরু ও শেষাংশে, ভিয়েতনাম যুদ্ধ, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলন, কিউবা বিপ্লবসহ নানান ঘটনায় বঙ্গবন্ধু মার্কিন পন্থা থেকে সরে আসেন। বিশদ অভিজ্ঞতায় সমৃদ্ধ বঙ্গবন্ধু তাই দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করতে পেরেছিলেন, “বিশ্ব দুই শিবিরে বিভক্ত- শোষক আর শোষিত। আমি শোষিতের পক্ষে।” তাই, পুঁজিতন্ত্র ও সমাজতন্ত্রের অপূর্ব মিশেলে যে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ আমরা দেখতে পাই, ভক্তহৃদয় এটিকে ‘মুজিববাদ’ হিসেবে অভিহিত করে।
মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রতিটি মুহূর্তে পাকিস্তানের সামরিক জান্তার গুলির নিশানায় থাকলেও অত্যন্ত সুচারুভাবে তিনি ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক কায়েম করতে সক্ষম হোন। স্বাধীন বাংলা ভূখন্ডের স্বপ্নে বিভোর বঙ্গবন্ধু মুক্তিযুদ্ধ শুরুর কয়েক মাস পূর্ব হতেই তৎকালীন নেতৃবৃন্দকে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দিতে থাকেন। একইভাবে, শাসক পাকজান্তার বিরুদ্ধে ভারতকে ব্যবহার করতে হলে, পাকবন্ধু দখলদার মার্কিন বাহিনী, চীন সরকার ও পশ্চিমাদের কীভাবে মোকাবেলা করতে হবে, সে বিষয়েও পূর্ব হতেই প্রস্তুতি গ্রহণ ও স্বীয় অনুগামীদের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এই সবই তাঁর ক্ষুরধার রাজনৈতিক মস্তিস্কের প্রমাণ।
একাত্তর পরবর্তী স্বাধীন বাংলাদেশ বেশ কিছু সঙ্গত কারণে বিশ্বব্যাপী চর্চার কেন্দ্র হয়ে উঠেছিলো এবং বিশ্ববাসীর মনযোগ আকর্ষণ করতে পেরেছিলো। তন্মধ্যে রয়েছে, ধর্মীয় আদর্শের ভিত্তিতে গড়ে উঠা পাকিস্তান ভাঙার মাধ্যমে ধর্ম ব্যবসায়ীদের গালে সপাটে চপেটাঘাত; মার্কিন অহংবোধের পিঠে চরম ধাক্কা, চীনা মিত্রতার মুখে ঝামাঘষা, জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের পাল্লা ভারি হওয়াসহ প্রভৃতি। সৌদী আরবসহ তৎকালীন মুসলিম বিশ্বের অনেক নামধারী নেতৃত্ব স্বাধীন বাংলার সামাজিক আন্দোলন ও চাহিদার প্রতি ভ্রুক্ষেপ না করে অন্ধ ভ্রাতৃ-েত্বের দোহাই দিয়ে পাকজান্তাকে সমর্থন করতে থাকে। তাই সবকিছুর মিশেলে এক ভীষণ বৈরী পরিবেশের সঙ্গে পাল্লা দিতে হয়েছিলো বঙ্গবন্ধুকে। ভীষণ দক্ষতার সঙ্গে অল্প শাসনকালেই এইসব বৈরী চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছিলেন তিনি।
যুদ্ধোত্তর বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর প্রধান চ্যালেঞ্জ হিসেবে সবাই বিপর্যস্ত অর্থনীতি, বিকলাঙ্গ যোগাযোগব্যবস্থা, অপ্রতুল শিল্প উৎপাদন’র কথা বললেও, রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে তাঁর প্রথম চ্যালেঞ্জ ছিলো মিত্রবাহিনীর ভারতীয় সদস্যদের স্বদেশে প্রত্যাবর্তনের বন্দোবস্ত করা ও বিশ্ব সমাজের স্বীকৃতি আদায়। নচেৎ, স্বাধীন বাংলাদেশ হয়তো অচিরেই ভারতীয় ঔপনিবেশে পরিণত হতো। দুটোরই সমাধান তিনি করেন চমৎকার বুদ্ধিমত্তায়। পূর্বোক্ত সমস্যাদির সমাধানেও তিনি পদক্ষেপ নেন। দু’মাসেরও কম সময়ে মিত্রবাহিনীর বিদায়, স্বল্প শাসনকালেই পঞ্চাশোর্ধ দেশের স্বীকৃতি, জাতিসংঘ-কমনওয়েলথ-ওআইসি’সহ বিশ্ব প্রতিষ্ঠানের সদস্যপদ; বঙ্গবন্ধুর কূটনৈতিক দক্ষতারই দৃষ্টান্ত।
পথহীন দেশকে প্রথম বছরেই সংবিধান উপহার, রাষ্ট্রীয়-সামরিক কাঠামোর ভিত্তিস্থাপন, ভারতের সঙ্গে অতিগুরুত্বপূর্ণ পানি ও সীমান্ত চুক্তি এবং যমুনা সেতু নির্মাণের প্রাথমিক কার্যক্রম ইত্যাদি সবই বঙ্গবন্ধুর তত্ত্বাবধানে করা। এদেশে বিজ্ঞান ও শুদ্ধ ধর্মীয় চর্চার ভিত রচনা এবং শিক্ষার মানোন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহণ, তাঁরই কৃতিত্ব।
বহিঃশত্রুকে দক্ষহাতে সামাল দিলেও আভ্যন্তরীণ শত্রুদের মোকাবেলা করে উঠতে পারেননি জাতির পিতা। বঙ্গবন্ধু নিজের এক ভাষণে বলেছিলেন, “ভুলে যেয়ো না। স্বাধীনতা পেয়েছ এক রকম শত্রুর সঙ্গে লড়াই করে। তখন আমরা জানতাম আমাদের এক নম্বর শত্রু পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ও শোষকগোষ্ঠী। কিন্তু, এখন শত্রুকে চেনাই কষ্টকর।” সত্যই তিনি চিনতে পারেননি নিজ শত্রুদের; আস্থাভাজনদের স্থলাভিষিক্ত হয়েছিলো নেমকহারাম মুশতাকেরা। স্বীয় ও মিত্র রাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থার তরফে বারংবার প্রাণনাশ হুমকির সতর্কবার্তা পেলেও আমলে নেননি সেসব। ফলত, আগ্রাসী দেশি ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের বলি হতে হয় তাঁকেসহ গোটা পরিবারকে।
বলতে দ্বিধা নেই, যারা বিশ্বাস করেন কেবলমাত্র গুটিকয়েক সামরিক কর্মকর্তার পথভ্রষ্টতার কারণে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যা করা হয়, তারা নিঃসন্দেহে বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন। বঙ্গবন্ধুর শাসনের মাধ্যমে একদিকে যেমন সমাজতন্ত্র ও গণতন্ত্রের হাত শক্ত হচ্ছিলো, একইভাবে শক্ত হচ্ছিলো জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের প্রতিচ্ছবি। বরাবরই পিছিয়ে থাকা দক্ষিণ-এশীয় সমাজ নতুন নেতৃত্বের ছায়াতলে বিশ্বে নিজেদের নতুন করে চেনাচ্ছিলো। ইন্দিরা-মুজিব জুটি শত কোটি মানুষের আশার আলো হয়ে দাঁড়িয়েছিলো; যা পুঁজিপতি, অস্ত্র ব্যবসায়ী, ধর্ম ব্যবসায়ীদের জন্য কাল হয়ে দাড়িয়েছিলো। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে শেখ মুজিব হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন বিশ্বব্যাপী শোষিত মানুষের প্রধান কণ্ঠস্বর। সামন্তবাদী ফ্যাসিস্ট সরকার সমূহের কাছে মুজিবের নামটিও হয়ে উঠেছিলো মূর্তমান আতঙ্ক। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তাঁর প্রধান মিত্র হয়ে উঠেছিলেন, ফিদেল কাস্ত্রো, ইয়াসির আরাফাত, সাদ্দাম হোসেনদের মতো শোষিত মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পরিচিত বিশ্বনেতারা। তাই, দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের শিকার হতে হয় সদ্য স্বাধীন ভূখণ্ড বাংলাদেশকে। সিআইএ, কেজিবি ও আইএসআইসহ বিশ্বরাজনীতির মারপ্যাঁচে ক্ষতিগ্রস্ত হয় বাঙালি জাতি।
মুক্তিযুদ্ধ শেষে পাকিস্তানের কারাগার থেকে মুক্তি লাভ করে লন্ডন-দিল্লী হয়ে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশে ফিরেন বঙ্গবন্ধু। রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী উভয় ভূমিকার যৌথ মেলবন্ধনে তিনি সরাসরি শাসন ক্ষমতায় ছিলেন ০৩ বছর ০৭ মাস ০৫ দিন। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবে বিশ্ব স্বীকৃত রাষ্ট্র হিসেবে ‘বাংলাদেশ’ ভূখণ্ডে বঙ্গবন্ধুর জীবনকাল প্রায় সাড়ে তিন বছর। এই স্বল্প শাসনামলে প্রভূত সাফল্য রয়েছে তাঁর। কূটনৈতিকভাবে আমরা এখনো তাঁর দেখানো পথে চলছি। সবার সঙ্গে মিত্রতা, কারুর সঙ্গে শত্রুতা নয়, পররাষ্ট্রনীতির এই যুগান্তকারী বার্তা আজ উন্নয়নশীল দেশগুলোর আপ্তবাক্যে পরিণত হয়েছে। নবজাতক রাষ্ট্রের প্রধান হিসেবে বঙ্গবন্ধুর সাফল্য-ব্যর্থতার পরিসংখ্যান সংখ্যার নিরিখে দেখানো সম্ভবপর নয়। বরঞ্চ, তিনি যেসব চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হয়েছিলেন; তা কতটা দৃঢ়তায় মোকাবেলা করতে পেরেছিলেন, সেটিই তাঁর শাসনকালের প্রকৃত মূল্যায়ন।
তথাপি কারুর শাসনামলই সমালোচনার উর্ধ্বে না। বঙ্গবন্ধুও ব্যতিক্রম নন। তাঁর শাসনামলেও দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও আইনশৃঙ্খলার অবনতিসহ প্রভূত অভিযোগ বিদ্যমান। সেসবের সত্য-মিথ্যা সত্যান্বেষীরাই না হয় যাচাই করবেন। তবে, সামগ্রিকভাবে রাষ্ট্রীয় আঙ্গিকে বাংলাদেশের শ্রেণি-সমাজ ও শাসক বিবেচনায় বঙ্গবন্ধু অতুলনীয়। তাঁর ভূমিকা রাষ্ট্রপিতার চেয়েও বেশি। স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতাই কেবল নন, হামাগুড়ি দেয়া রাষ্ট্রের পথপ্রদর্শকও তিনি। সেজন্যেই তাঁর গুণমুগ্ধ মাত্রই বলেন, বঙ্গবন্ধুই বাংলাদেশ।
লেখক : বাংলাদেশ প্রতিনিধি, ইন্ডিয়া নিউজ নেটওয়ার্ক
বাবু/এসআর