প্রকাশ: সোমবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৩, ৫:৩০ পিএম (ভিজিট : ১০৮)
X
রফিকুল ইসলাম রতন, দুবাই থেকে
দুবাইয়ে জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে খরা, বন্যা এবং ক্রমবর্ধমান সমুদ্রজলের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা তহবিল অনুমোদন করা হয়েছে। এবারের আয়োজক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সুলতান আল জাবের বলেন, এই তহবিল জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় কপ-২৮ এর ইতিবাচক গতির সংকেত দিচ্ছে।
আল জাবের সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প মন্ত্রী এবং দেশটির তেল কোম্পানিরও প্রধান। তাই ২৮তম শীর্ষ সম্মেলনের তার সভাপতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশবাদীরা। যদিও ৭০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীর অংশগ্রহণে দুই সপ্তাহ-ব্যাপী এবারের অনুষ্ঠানটিকে সর্বকালের বৃহত্তম জলবায়ু সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাজ্য, মিশর, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান এবং ব্রাজিলের রাষ্ট্রপ্রধানসহ কয়েক ডজন বিশ্ব নেতা রয়েছেন। ধনকুবের বিল গেটসসহ লবিস্ট এবং ব্যবসায়ী নেতাদের ভীড়ও লক্ষণীয়। তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম বায়ুদূষণকারী- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের রাষ্ট্রপতিরা সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না। সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বনেতাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জীবাশ্ম জ্বালানির সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া যদিও এই ব্যাপারটি কিছু শক্তিশালী দেশ বিরোধিতা করে আসছে।
জাতিসংঘের শীর্ষ জলবায়ু কর্মকর্তা সাইমন ইমানুয়েল কারভিন স্টিয়েল বলেছেন, এবারের সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ক্ষয় ও ক্ষতিকে (লস অ্যান্ড ডেমেজ) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে তহবিলে অর্থায়নসহ আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে। এখান থেকে পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। উন্নত দেশগুলো বেশ কয়েক বছর আগে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গরিব দেশগুলোকে এই অর্থ দেওয়া হবে তাদের অভিযোজন ও সবুজ জ্বালানির উন্নয়নে। আমরা আশা করছি, এবছর আমরা এই প্রতিশ্রুতির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।
তবে তহবিল গঠনে আরও সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক ডেলগেটস মার্ক স্যামুয়েল বলেন, তহবিল গঠনের কথা বার বার বলা হলেও সেটি পরিপূর্ণ হচ্ছে না। অনেক দেশ এখনো তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। সুতরাং প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না তা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ থাকতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য এখনই সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নিতে হবে উন্নত দেশগুলোকে। অন্যথায় বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।
কপ-২৮ এর সভাপতি করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় তেল কোম্পানি অ্যাডনকের প্রধান নির্বাহী সুলতান আল-জাবেরকে। তিনি বলেছেন, এই তহবিল জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় কপ২৮ এর ইতিবাচক গতির সংকেত দিচ্ছে। এখনই সময় সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সংকট সমাধানের। আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ঘোষিত তহবিলের অর্থ এক বছরের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করবো। তবে এই তহবিল আরও বাড়তে হবে। কারণ এই তহবিল অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকায় ভূমিকা রাখতে পারে। সমষ্টিগত জলবায়ু নিয়ে কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ২৮। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে তেলের অন্যতম বড় উৎপাদক দেশ দুবাইয়ে শুরু হওয়া জলবায়ু সম্মেলন চলবে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।
দুবাইয়ে জাতিসংঘের বার্ষিক জলবায়ু শীর্ষ সম্মেলনে জলবায়ু ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোকে খরা, বন্যা এবং ক্রমবর্ধমান সমুদ্রজলের প্রভাব মোকাবেলায় সহায়তা তহবিল অনুমোদন করা হয়েছে। এবারের আয়োজক দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাতের সুলতান আল জাবের বলেন, এই তহবিল জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় কপ-২৮ এর ইতিবাচক গতির সংকেত দিচ্ছে।
আল জাবের সংযুক্ত আরব আমিরাতের শিল্প মন্ত্রী এবং দেশটির তেল কোম্পানিরও প্রধান। তাই ২৮তম শীর্ষ সম্মেলনের তার সভাপতিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন পরিবেশবাদীরা। যদিও ৭০ হাজারের বেশি অংশগ্রহণকারীর অংশগ্রহণে দুই সপ্তাহ-ব্যাপী এবারের অনুষ্ঠানটিকে সর্বকালের বৃহত্তম জলবায়ু সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
এবারের সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ফ্রান্স, জাপান, যুক্তরাজ্য, মিশর, সৌদি আরব, কাতার, জর্ডান এবং ব্রাজিলের রাষ্ট্রপ্রধানসহ কয়েক ডজন বিশ্ব নেতা রয়েছেন। ধনকুবের বিল গেটসসহ লবিস্ট এবং ব্যবসায়ী নেতাদের ভীড়ও লক্ষণীয়। তবে বিশ্বের দুই বৃহত্তম বায়ুদূষণকারী- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং চীনের রাষ্ট্রপতিরা সম্মেলনে যোগ দিচ্ছেন না। সম্মেলনে জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বনেতাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জীবাশ্ম জ্বালানির সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া যদিও এই ব্যাপারটি কিছু শক্তিশালী দেশ বিরোধিতা করে আসছে।
জাতিসংঘের শীর্ষ জলবায়ু কর্মকর্তা সাইমন ইমানুয়েল কারভিন স্টিয়েল বলেছেন, এবারের সম্মেলনে গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু ক্ষয় ও ক্ষতিকে (লস অ্যান্ড ডেমেজ) সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। এ ব্যাপারে তহবিলে অর্থায়নসহ আমাদের সামনের দিকে এগোতে হবে। এখান থেকে পেছনে ফেরার সুযোগ নেই। উন্নত দেশগুলো বেশ কয়েক বছর আগে প্রতি বছর ১০০ বিলিয়ন ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। গরিব দেশগুলোকে এই অর্থ দেওয়া হবে তাদের অভিযোজন ও সবুজ জ্বালানির উন্নয়নে। আমরা আশা করছি, এবছর আমরা এই প্রতিশ্রুতির কাছাকাছি পৌঁছাতে পারবো।
তবে তহবিল গঠনে আরও সচেষ্ট হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে জাতিসংঘের জলবায়ুবিষয়ক ডেলগেটস মার্ক স্যামুয়েল বলেন, তহবিল গঠনের কথা বার বার বলা হলেও সেটি পরিপূর্ণ হচ্ছে না। অনেক দেশ এখনো তাদের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করেনি। সুতরাং প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না তা বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগ থাকতে হবে। ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য এখনই সমস্যা নিরসনে উদ্যোগ নিতে হবে উন্নত দেশগুলোকে। অন্যথায় বড় ক্ষতি হয়ে যাবে।
কপ-২৮ এর সভাপতি করা হয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাতের জাতীয় তেল কোম্পানি অ্যাডনকের প্রধান নির্বাহী সুলতান আল-জাবেরকে। তিনি বলেছেন, এই তহবিল জলবায়ু বিপর্যয় মোকাবিলায় কপ২৮ এর ইতিবাচক গতির সংকেত দিচ্ছে। এখনই সময় সবার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় সংকট সমাধানের। আমরা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ঘোষিত তহবিলের অর্থ এক বছরের মধ্যেই ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে বিতরণ করবো। তবে এই তহবিল আরও বাড়তে হবে। কারণ এই তহবিল অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকায় ভূমিকা রাখতে পারে। সমষ্টিগত জলবায়ু নিয়ে কাজ ত্বরান্বিত করার লক্ষ্য নিয়ে শুরু হয়েছে জাতিসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ২৮। বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে তেলের অন্যতম বড় উৎপাদক দেশ দুবাইয়ে শুরু হওয়া জলবায়ু সম্মেলন চলবে ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত।