প্রকাশ: রোববার, ৭ জানুয়ারি, ২০২৪, ১২:৫৪ পিএম (ভিজিট : ১৪৭)

X
কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শেরপুরের তিনটি আসনের সবকটি কেন্দ্রের ভোট গ্রহণ চলছে। তবে ভোট কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি একেবারেই কম লক্ষ্য করা গেছে। অন্যদিকে বেলা বাড়ার সাথে সাথে ভোটার উপস্থিতি বাড়বে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
রির্টানিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে ৪শ ২৪টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এসব কেন্দ্রে দুই হাজার ৫শ ৮৩টি ভোট কক্ষ আছে। জেলায় মোট ১২ লাখ ১৭ হাজার ৭শ ৫৯ জন ভোটার। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ লাখ ১ হাজার ৪শ ২৫ জন ও নারী ভোটার ৬ লাখ ১৬ হাজার ৩শ ২১ জন। এছাড়াও তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৯ জন।
এবার জেলায় ১৭৩টি ভোট কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ। ১৪৩টি ঝুঁকিপূর্ণ ও ১০৯টি ভোট কেন্দ্র সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
এদিকে জেলা পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্র জানায়, নির্বাচনে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় দুই প্লাটুন সেনাবাহিনী, তিন প্লাটুন বিজিবি, দুই প্লাটুন র্যাব, চার প্লাটুন আনসার ব্যাটালিয়ান সদস্য ও প্রায় ১২শ পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। প্রতিটি কেন্দ্রে ১২জন করে মোট ৫ হাজার ৮৮ জন আনসার ভিডিবি সদস্য ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বে রয়েছেন।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুহাম্মদ আনোয়ারুল হক জানান, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর পাশাপাশি জেলায় মোট ২০জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৯ জন জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন।
শেরপুরের পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম জানান, প্রতিটি কেন্দ্রে থাকার পাশাপাশি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা। এছাড়া ব্যাটালিয়ান আনসারদের একটি অংশ পুলিশের সাথে কাজ করছে। একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন করতে জেলা পুলিশ বিভাগ বদ্ধপরিকর।
এ সম্পর্কে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল খায়রুম জানান, সকাল ৮টা থেকে সকল কেন্দ্রে একযোগে ভোট গ্রহণ শুরু হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন সম্পন্ন করতে পর্যাপ্ত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
প্রসঙ্গত, দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলার ৩টি আসনে মোট ১৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এর মধ্যে শেরপুর-১ (সদর) আসনে ৭জন, শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে তিনজন ও শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনে ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করছেন। এদিকে এখন পর্যন্ত কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনার খবর পাওয়া যায়নি।