প্রকাশ: বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১০:৫২ এএম (ভিজিট : ৬০)

X
আজকের যুগে মোবাইল, ল্যাপটপ অপরিহার্য হলেও, দৈনিক ৪ ঘণ্টার বেশি স্ক্রিন ব্যবহার চোখ, মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রের ওপর দীর্ঘস্থায়ী নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১. চোখের প্রধান সমস্যাসমূহ
ড্রাই আই সিনড্রোম: স্ক্রিনে মনোযোগ দিলে পলক ফেলার হার ৬০-৬৬% কমে যায়, ফলে চোখ শুকিয়ে যায়, জ্বালা ও অস্বস্তি বাড়ে।
ফোকাসের সমস্যা: একটানা স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখের পেশি ক্লান্ত হয়, যা ঝাপসা দেখা ও ফোকাস বদলাতে কষ্টের সৃষ্টি করে (অ্যাকমোডেটিভ স্প্যাজম)।
চোখ ও ঘাড়ের ওপর অতিরিক্ত চাপ এবং ব্লু লাইটের কারণে 'স্ক্রিন-টাইম হেডেক' শুরু হয়।
২. মস্তিষ্ক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতি
ব্রেন ফগ (মানসিক ধোঁয়াশা): একটানা তথ্যের চাপে মস্তিষ্ক অতিরিক্ত লোড নেয়, যা কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে মনোযোগ কমে, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হয় এবং মনে রাখতে কষ্ট হয়।
অবিরাম নোটিফিকেশন ও ভিডিওর কারণে ডোপামিন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, যা অস্থিরতা, বিরক্তি এবং ডিজিটাল ফ্যাটিগের জন্ম দেয়।রাতে স্ক্রিন ব্যবহারের ফলে ঘুম-নিয়ন্ত্রণকারী মেলাটোনিন হরমোনের নিঃসরণ কমে যায়, ফলে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং গভীরতা হ্রাস পায়।
একটু সচেতনতা ও সঠিক জীবনধারা অভ্যাসের মাধ্যমে স্ক্রিনের ক্ষতিকর প্রভাব এড়িয়ে চলা এবং চোখ ও মস্তিষ্ককে সুস্থ রাখা সম্ভব।