
X
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
রবিবার (৪ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে এ ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পবিত্র কোরআন খতম শেষে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী, কার্ডিয়াক সোসাইটির মহাসচিব অধ্যাপক ডা. খবির উদ্দিন আহমেদ, ভাস্কুলার সোসাইটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. বজলুল গনি ভূঁইয়া, বাংলাদেশ সোসাইটি অব কার্ডিওভাস্কুলার ইন্টারভেনশনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. খালেকুজ্জামানসহ দেশের খ্যাতনামা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরা।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ডা. মহসিন হোসেন, অধ্যাপক ডা. খন্দকার আসাদুজ্জামান, ডা. এটিএম নুরুন্নবী সাহা, অধ্যাপক ডা. তৌফিকুর রহমান ফারুক, অধ্যাপক ডা. আব্দুল্লাহ শাহরিয়ার, অধ্যাপক ডা. একে এম মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক ডা. আবুল হাসান মো. বাশার, অধ্যাপক ডা. মাহামুদুল্লাহ ফিরোজ, ডা. হারুন উর রশীদ খান রাকিব, আবাসিক চিকিৎসক ডা. একরামুল রেজা টিপু, ডা. মেজবাহ উদ্দিন আহমেদ, ডা. আবু হেনা মোস্তফা কামাল, ডা. ওয়াসিম, ডা. বাবুল মিয়া মল্লিক, ডা. এস এম ই আল বাকের, ডা. মিজানুর রহমান, ডা. সাজ্জাদুর রহমান, ডা. আনিছুল গনি খান নাইট, ডা. মাহমুদুল হক রিপন, ডা. শাহরিয়ার ও ডা. সরোয়ার হোসেনসহ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
দোয়া মাহফিলের আগে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় হাসপাতালের পরিচালক অধ্যাপক ডা. আব্দুল ওয়াদুদ চৌধুরী বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বিশ্বের অন্যতম প্রভাবশালী নারী প্রধানমন্ত্রী। আন্তর্জাতিক পরিসরে তার সুনাম ও গ্রহণযোগ্যতা ছিল। দেশের গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার রক্ষায় তিনি দীর্ঘদিন সংগ্রাম করেছেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘদিন কারাবন্দি থাকার কারণে বেগম খালেদা জিয়া শারীরিকভাবে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। একাধিকবার বিদেশে উন্নত চিকিৎসার সুযোগ থাকলেও তিনি তা গ্রহণ করেননি। তিনি দেশের মাটিতেই চিকিৎসা নিতে চেয়েছিলেন এবং শেষ পর্যন্ত দেশের মাটিতেই তার জীবনাবসান ঘটে। আপসহীন নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি।
আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত, তার পরিবারের সদস্যদের জন্য ধৈর্য ও শক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের ইমাম।