জাজিরায় যৌথ বাহিনী অভিযান ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার

শরীয়তপুর প্রতিনিধি

সারাবাংলা

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনার পর বোমা ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধারে যৌথ বাহিনী

2026-01-12T17:10:29+00:00
2026-01-12T17:15:52+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
আটক ৪জন
জাজিরায় যৌথ বাহিনী অভিযান ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু উদ্ধার
শরীয়তপুর প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:১০ পিএম  আপডেট: ১২.০১.২০২৬ ৫:১৫ পিএম  (ভিজিট : ৬৭)
X

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে দুজন নিহতের ঘটনার পর বোমা ও বিস্ফোরক সরঞ্জাম উদ্ধারে যৌথ বাহিনী অভিযান চালিয়েছে।

সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল থেকে উপজেলার বিলাসপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় চালানো এ অভিযানে ৪৫টি বোমা সদৃশ বস্তু, ককটেল, বোমা তৈরির বিভিন্ন উপকরণ এবং দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চারজনকে আটক করা হয়।

জাজিরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালেহ আহমেদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গত বৃহস্পতিবার বিলাসপুর ইউনিয়নের ব্যাপারীকান্দি এলাকায় বোমা তৈরির সময় বিস্ফোরণে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন এবং একজন গুরুতর আহত হন। এ ঘটনায় শুক্রবার পুলিশ বাদী হয়ে ৫৩ জনকে আসামি করে জাজিরা থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

তিনি আরও জানান, ঘটনার পরপরই অ্যান্টি টেরোরিজম বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট ও সিআইডির ক্রাইম সিন টিম অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে। পরে সেগুলো নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

এলাকায় আরও বিস্ফোরক থাকার আশঙ্কায় সোমবার বেলা ১১টার দিকে নতুন করে যৌথ বাহিনীর অভিযান শুরু হয়। অভিযানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, সেনাবাহিনীর ডগ স্কোয়াড এবং অ্যান্টি টেরোরিজম বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট অংশ নেয়।

অভিযান চলাকালে ককটেল, বোমা তৈরির উপকরণ, চাপাতি, বড় হাতুড়ি, কুড়াল, মাছ মারার কোচ, দেশি ও বিদেশি চাকু এবং একটি ড্রোন উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ জানায়, বৃহস্পতিবারের বিস্ফোরণের ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে প্রায় আধা কিলোমিটার দূরের একটি ফসলি জমি থেকে ব্যাপারীকান্দি গ্রামের দেলোয়ার ব্যাপারীর ছেলে সোহান ব্যাপারী (৩২)-এর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আহত আরমান নয়ন মোল্লা (২৫) ও মো. নবী হোসেনকে (২২) প্রথমে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মো. নবী হোসেন মারা যান। আরমান নয়ন এখনও চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এর আগে গত ৪ জানুয়ারি বিলাসপুর ইউনিয়নের বুধাইরহাট বাজার এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পুলিশ পরিত্যক্ত অবস্থায় চার বালতি ককটেল উদ্ধার করে।

থানা সূত্র জানায়, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান কুদ্দুস ব্যাপারী ও তার প্রতিদ্বন্দ্বী জলিল মাদবরের সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিল। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একাধিকবার সংঘর্ষ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় উভয় পক্ষের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে একাধিক মামলা হয়েছে।

শরীয়তপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) মো. তানভীর হাসান বলেন, বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় যৌথ বাহিনী সমন্বিতভাবে অভিযান চালাচ্ছে। এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।







Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy