প্রকাশ: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৪:৪০ পিএম (ভিজিট : ২১১)

X
সোনালী ব্যাংক (পিএলসি) বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ব ব্যাংকের মধ্যে অন্যতম ব্যাংক। এ ব্যাংকের কাছে গ্রাহকরা অনেক সেবা প্রত্যাশা করেন। ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলন সহজতর করার লক্ষ্যে বাংলাদেশ সরকার এটিএম বুথ চালু করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে লক্ষ্য করা যাচ্ছে শুক্র, শনিবার এবং ঈদ আসলে বুথের নিচে সিঁড়িতে একটি নোটিশ বোর্ড ঝুলে রাখা হয়। তাতে লেখা আছে- যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে লেনদেন বন্ধ। ব্যাংকে সেবা নিতে আসা গ্রাহকরা মনে করেন কবে নাগাদ শেষ হবে এটিএম বুথের গ্রাহক হয়রানি।
জানা যায়, গাইবান্ধা সোনালী ব্যাংক মূল ভবন সংলগ্ন, জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের গেটে, সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়, সাদুল্যাপুর উপজেলায়, ভরতখালিতে, বোনারপাড়ায় একটিসহ মোট ৬টি এটিএম বুথ রয়েছে। এটিএম কার্ডধারীর সংখ্যা প্রায় ৩০ হাজার। প্রত্যেক কার্ডধারীর একাউন্ট থেকে বছরে ৪৬০ টাকা কর্তন করা হয়। তাতে গ্রাহকদের কাছ থেকে সোনালী ব্যাংক গাইবান্ধা (পিএলসি) শাখা আয় করে প্রায় ১ কোটি ৩৮ লক্ষ টাকা। কিন্তু গ্রাহকরা বুথে এসে জানতে পারেন যান্ত্রিক ত্রুটির নোটিশ, যা দেখে তারা বিড়ম্বনায় পড়েন।
উল্লেখ থাকে যে, প্রত্যেক একাউন্ট থেকে অর্থ বছরের জুন মাসে ১১৬ এবং ডিসেম্বর মাসেও ১১৬ টাকা মেসেজ ফি বাবদ কর্তন করা হয়। এছাড়াও মেইনটেনেজ ফি ও আবগারি শুল্ক বাবদ আর্থিক ট্রানজেকশনের ওপর নির্ভর করে ফি কর্তন করা হয়।
ভুক্তভোগী শফিকুর রহমান বলেন, সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথে যান্ত্রিক ত্রুটির নোটিশটি কর্তৃপক্ষের মিথ্যাচার। আমরা সেবা বঞ্চিত হচ্ছি।
ভুক্তভোগী কাজী আমজাদ সামাজিক মাধ্যমে জানান, ব্যাংকে টাকা উত্তোলন করতে গেলে কার্ড নিতে বাধ্য করে। সেবা বঞ্চিত হচ্ছি আমরা। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক জনৈক শাখা ব্যবস্থাপক বলেন, বুথগুলোর লিমিট ৬০ লক্ষ টাকা। লিমিট শেষ হয়ে গেলে প্রতি সপ্তাহের বৃহস্পতিবার আবারও ওই পরিমাণ টাকা বুথে রাখলে গ্রাহকের হয়রানী অনেকাংশে লাঘব হবে।
সিনিয়র অফিসার (আইটি) জহুরুল ইসলাম বলেন, বুথের লিমিট ৬০ লক্ষ টাকা। সোনালী ব্যাংকের এটিএম বুথে গ্রাহকের চাপ বেশী হওয়ায় দ্রুত লিমিট শেষ হওয়ার কারণে এধরণের বিড়ম্বনা হচ্ছে।
এজিএম ফজলে এলাহী বলেন, গাইবান্ধা সদরে গ্রাহকের চাহিদা পূরণে সোনালী ব্যাংকের আরও এটিএম বুথ প্রয়োজন। ডিজিএম মো. আব্দুর রাজ্জাক প্রতিবেদককে জানান, গাইবান্ধায় সিআরএম মেশিন স্থাপন হলে গ্রাহক বিড়ম্বনা থাকবে না। আমরা সিআরএম মেশিন স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।