ইউএনও ‘আপু’ ডাকতে নিষেধ করায় আয়োজকের প্রশ্ন ‘ভাবি বলবো?’

লালমনিরহাট প্রতিনিধি

সারাবাংলা

কালীগঞ্জে গভীর রাত পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলায় তোপের মুখে পড়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা সুলতানা। গতবৃহস্পতিবার

2026-01-17T15:30:17+00:00
2026-01-17T15:30:17+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
ইউএনও ‘আপু’ ডাকতে নিষেধ করায় আয়োজকের প্রশ্ন ‘ভাবি বলবো?’
লালমনিরহাট প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩০ পিএম   (ভিজিট : ১৯৫)
X

কালীগঞ্জে গভীর রাত পর্যন্ত চলা অনুষ্ঠান বন্ধ করতে বলায় তোপের মুখে পড়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শামিমা সুলতানা।  গত বৃহস্পতিবার ওই উপজেলার রয়েল ফুটবল একাডেমি নামক একটি ক্লাবের আয়োজনে চড়ুইভাতির আয়োজন করা হয়। রাত ১টা পর্যন্ত চলতে থাকে এই অনুষ্ঠান। এরপর ইউএনও শামিমা সুলতানা আয়োজক ক্লাবটির সহ-সভাপতি মিঠুকে ফোন করে অনুষ্ঠান বন্ধ না করার কারণ জানতে চান। আয়োজকরা অনুষ্ঠান বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ফোনালাপ শেষ করেন।

আয়োজক মিঠু ইউএনওর সঙ্গে কথোপকথনের অডিও রেকর্ড করেন। গতকাল শুক্রবার (১৬ জানুযারি) এটা ছড়িয়ে দেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ানো ফোনলাপটি নিয়ে জেলাজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছে। মিঠুর দাবি, ইউএনওকে ফোনে ‘আপু’ বলাতে তিনি রেগে গিয়েছেন।

মিঠুর সরবরাহ করা ফোনালাপে শোনা যায়, ইউএনও শামীমা সুলতানা রাত ১০টা পর্যন্ত অনুমতি নেওয়া অনুষ্ঠান রাত ১টা পর্যন্ত চালিয়ে যাওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করেন। এরপর আয়োজক মিঠু কিছুক্ষণ পর বন্ধ করার প্রতিশ্রুতি দেন। ইউএনওকে বারবার ‘আপু’ সম্বোধন করেন মিঠু। ইউএনও বলেন ‘কাইন্ড ইউর ইনফরমেশন, আমি আপনার আপু না’ বলে কেটে দেন।

এ বিষয়ে মিঠু বলেন, ‘অনুষ্ঠানটির অনুমতি নেওয়ার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম। রাত ১১টার মধ্যে শেষ করতে বলেছিলেন। কিন্তু আমাদেরই এক আনন্দের সঙ্গে আরেকটি আনন্দ যোগ হওয়াতে একটু দেরি হয়েছে। পরে ইউএনও ফোন করে বন্ধ করতে বলেন। নির্বাচনি বিধিনিষেধ এখন কেন? নির্বাচনি বাধ্যবাধকতার কথা উনি বলবেন কেন? নির্বাচনের প্রচার শুরু হবে ২১ তারিখ থেকে। উনি কি নিজের ইচ্ছামতো সব কিছু চালাবেন। রাষ্ট্রটা কি ওনার বাপের? ওনাকে কি আমি ভাবি বলবো?’

ইউএনও শামীমা সুলতানা বলেন, ‘আমি তাদের সঙ্গে রিঅ্যাক্ট করেছি। প্রথম থেকেই করেছি। সেটা অনুষ্ঠান নিয়ে। রাত ১টা পর্যন্ত চালানোর জন্য। অডিওটা শুনলেই বোঝা যাবে। তারা আমার কাছে অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও অনুমতি নিতে এসেছিল। আমি নির্বাচনকালে দাওয়াত গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করি। অনুষ্ঠান করতে নিষেধ করি। তারপর রাত ১০টা পর্যন্ত তারা সময় নেন।’

রায়হান শরিফ নামের এক শিক্ষক বলেন, ‘একজন সাধারণ মানুষ অপর এক সরকারি কর্মকর্তার ফোন কল রেকর্ড করাটাই সন্দেহের। এটা খারাপ চিন্তার প্রকাশ। অপরদিকে উপজেলার সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার ফোনালাপ ছড়িয়ে পড়াটা আরেকটি খারাপ চিন্তার প্রকাশ। এমন না যে তিনি পেশাগত কারণে কথপোকথন সংরক্ষণ করার প্রয়োজন আছে।’





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy