গন্তব্যের দিকে ছুটে চলেছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ট্রেন। নির্বাচন কমিশনের নতুন আইনের কারণে এবার নির্বাচনী প্রচারণায় নেই পোস্টার-ব্যানার কিংবা ঢাকঢোল পিটিয়ে সভা-সমাবেশ। তবে ভোটের উত্তাপ কমেনি কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদি–পাকুন্দিয়া) আসনে। মাঘের কনকনে শীত উপেক্ষা করেই ভোটের মাঠে সরব প্রার্থীরা।
দেশের বিভিন্ন আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থীর উপস্থিতি থাকলেও কিশোরগঞ্জ-২ আসনের চিত্র ভিন্ন। এখানে দলীয় মনোনয়ন বঞ্চিত সব নেতারা মান-অভিমান ভুলে একাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে।
এই আসনে বিএনপির প্রার্থী জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি, পাকুন্দিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র, কিশোরগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। তাঁকে বিজয়ী করতে কটিয়াদি ও পাকুন্দিয়া উপজেলার বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছেন।
ভোটারদের মন জয় করতে প্রতিদিনই দুই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক, মতবিনিময় সভা ও গণসংযোগ চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় তারা ভোটারদের কাছে তুলে ধরছেন বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের রূপরেখা।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) পাকুন্দিয়া উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের চরপাড়া তলা গ্রামে গণসংযোগ করেন উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল উদ্দিনের নেতৃত্বে স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। একই দিন পৌর সদর বাজারে গণসংযোগ করেন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী শাকিল মাহমুদ সম্রাট, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন আহমেদ (সম্রাট), পৌর ছাত্রদলের সভাপতি পদপ্রার্থী মো. মুরাদ, পাকুন্দিয়া কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক বিজয়, কলেজ শাখা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আল-আমিনসহ অন্যান্যরা।
এ বিষয়ে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন বলেন, জনগণ আজ পরিবর্তন চায়। কিশোরগঞ্জ-২ আসন বিএনপির ঐতিহ্যবাহী ঘাঁটি। জনগণের ভোটে ধানের শীষের জয় হবেই, ইনশাআল্লাহ। ইতোমধ্যে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীরাও ঐক্যবদ্ধভাবে মাঠে নেমেছেন।
উল্লেখ্য, কিশোরগঞ্জ-২ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৫ লাখ ৩২ হাজার ৫১৬ জন। এই আসনে মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৭০টি।