সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের (৩৯ বিজিবি) মাল্টিপারপাস শেডে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ময়মনসিংহ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজিদ।
সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক জানান, ময়মনসিংহ সেক্টরের আওতাধীন সাতটি জেলা শেরপুর, ময়মনসিংহ, টাঙ্গাইল, জামালপুর, নেত্রকোণা, কিশোরগঞ্জ ও কুড়িগ্রামের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা বিজিবির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। এই বিশাল এলাকার ৩৯টি সংসদীয় আসনে বিজিবি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে।
মোট ১২৬ প্লাটুন বিজিবি সদস্য নির্বাচনী মাঠে থাকবেন। এর মধ্যে ১১টি সীমান্ত উপজেলায় বিজিবি এককভাবে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার দায়িত্ব পালন করবে।
বাকি ৫১টি উপজেলায় বিজিবি সদস্যরা বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করবেন। তাছাড়াও, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিটি ব্যাটালিয়নে অতিরিক্ত ২ প্লাটুন সদস্যকে 'স্ট্যান্ডবাই' রাখা হয়েছে।
নির্বাচন উপলক্ষে আড়াই হাজার সদস্যের বিশেষ প্রশিক্ষণ সম্পন্ন:
নির্বাচনী মাঠে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে বিজিবির মোট ২ হাজার ৫২০ জন সদস্যকে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজিদ বলেন, "নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলা এবং সাধারণ মানুষের সাথে আইনানুগ আচরণের পাশাপাশি যেকোনো সংকটময় পরিস্থিতি মোকাবিলায় আমাদের সদস্যরা এখন পুরোপুরি প্রস্তুত।"
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, বিগত ২০২৫ সালে এই সেক্টরের অধীনস্থ ব্যাটালিয়নসমূহ অভিযান চালিয়ে ১৪৭ জন আসামিকে গ্রেপ্তার এবং প্রায় ৫৮ কোটি ৪০ লক্ষ ৪৬ হাজার টাকা মূল্যের চোরাচালানি পণ্য জব্দ করেছে।
সংবাদ সম্মেলনে ৩৯ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্নেল নুরুল আজিম বায়েজিদ আরও বলেন, "আমাদের মূল লক্ষ্য একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন উপহার দেওয়া। বিজিবি সদস্যরা দেশপ্রেম ও পেশাদারিত্বের সাথে রাজপথে থাকবে। সাধারণ ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সেই পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করবে তারা।