
X
গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনের মধ্যে গোপালগঞ্জ-৩ (টুঙ্গীপাড়া-কোটালীপাড়া) আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন ২০ ডিসেম্বর তিন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে এই আসনে আসন্ন জাতীয় এয়োদশ সংসদ নির্বাচনে মোট ৮জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারী তিন প্রার্থী হলেন- জামায়াতে ইসলামীর রেজাউল করিম, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)আরিফুল দরিয়া এবং খেলাফত মজলিসের আলী আহমেদ।
মনোনয়ন প্রত্যাহার প্রক্রিয়া শেষে এখন যে ৮ জন প্রার্থী নির্বাচনের মাঠে রয়েছেন তারা হলেন— এস. এম. জিলানী বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি), ধানের শীষ। মারুফ শেখ — ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, হাতপাখা। শেখ সালাউদ্দিন — ন্যাশনাল পিপলস পার্টি(এনএনপি) আম।
আবুল বাশার দারিয়া — গণঅধিকার পরিষদ, ট্রাক মার্কা। এডভোকেট হাবিবুর রহমান হাবিব — স্বতন্ত্র প্রার্থী, ফুটবল মার্কা। গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক — সতন্ত্র প্রার্থী, ঘোড়া মার্কা। আব্দুল আজিজ মাক্কী — বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, রিক্সা মার্কা এবং দুলাল চন্দ্র বিশ্বাস — গণফোরাম, সূর্য মার্কা।
২১ ডিসেম্বর দুপুরে গোপালগঞ্জের রিটার্নিং কর্মকর্তা(ডিসি) আরিফুজ্জামান গোপালগঞ্জের তিনটি আসনের প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ দেন।
(মনোনয়ন বৈধতা ও চূড়ান্ত তালিকা অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ছয়জন দলীয় এবং দুজন স্বতন্ত্রজন প্রার্থী।)
প্রতীক বরাদ্দের পর টুঙ্গীপাড়া ও কোটালীপাড়া জুড়ে নির্বাচনী উত্তাপ বাড়তে শুরু করেছে। প্রার্থীরা নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ, উঠান বৈঠক ও নেতাকর্মীদের নিয়ে মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। ভোটারদের মন জয় করতে দিচ্ছেন নানা প্রতিশ্রুতি।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গোপালগঞ্জ-৩ আসনে এবারের নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ। দলীয় প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের সক্রিয় উপস্থিতি ভোটের সমীকরণকে জটিল করে তুলেছে। শেষ পর্যন্ত ভোটযুদ্ধে যে প্রার্থী এগিয়ে থাকতে পারবেন, তিনিই আগামী জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জ-৩ আসনের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও নির্বাচন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, সুষ্ঠু, অবাধ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।