প্রকাশ: বুধবার, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:০৫ পিএম (ভিজিট : ৩৮০)

X
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নওগাঁ-৪ (মান্দা) সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (২১ জানুয়ারি) বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত নওগাঁ জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রার্থীদের হাতে প্রতীক তুলে দেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।
মান্দা আসনে এবার ছয়জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। প্রার্থী ও তাঁদের বরাদ্দপ্রাপ্ত প্রতীক হলো-ডা. ইকরামুল বারী টিপু (বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি) পেয়েছেন ধানের শীষ প্রতীক,খন্দকার মুহা. আব্দুর রাকিব (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী) পেয়েছেন দাঁড়িপাল্লা,আলতাফ হোসেন (জাতীয় পার্টি) পেয়েছেন লাঙ্গল,সোহরাব হোসাইন (ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ) পেয়েছেন হাতপাখা,ডা. এস এম ফজলুর রহমান (বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি) পেয়েছেন কাস্তে এবং আরফানা বেগম ফেন্সি (স্বতন্ত্র) পেয়েছেন কলস প্রতীক।এই আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৬০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৬৫ হাজার ৬৪৪ জন, নারী ভোটার ১ লাখ ৬৮ হাজার ২১২ জন এবং হিজড়া ভোটার রয়েছেন চারজন।
প্রতীক বরাদ্দ শেষে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম বলেন, “নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো সুযোগ নেই। প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই প্রার্থীরা প্রচারণায় নামতে পারবেন, তবে তা অবশ্যই আইনানুগ হতে হবে। মাঠ পর্যায়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
তিনি একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রার্থীদের সহযোগিতা কামনা করেন।
প্রতীক পাওয়ার পর অধিকাংশ প্রার্থী সন্তোষ প্রকাশ করলেও বিএনপি ও জামায়াতসহ কয়েকটি দলের পক্ষ থেকে সবার জন্য সমান সুযোগ বা ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়। স্বতন্ত্র প্রার্থীরাও প্রচার-প্রচারণায় যেন কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
প্রতীক বরাদ্দের খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে মান্দা উপজেলার হাট-বাজার ও গ্রামাঞ্চলে নির্বাচনী আমেজ শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন পর একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের প্রত্যাশায় থাকা ভোটারদের মতে, এবারের নির্বাচন হবে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি মান্দা আসনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রার্থীরা মাইকিং, পোস্টার ও গণসংযোগের মাধ্যমে ভোটারদের কাছে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করেছেন।