রামগতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক বছরে ১,৮১৯টি নরমাল ডেলিভারি

রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক বছরে (২০২৫ সাল) ঝুঁকিমুক্তভাবে ১,৮১৯ জন প্রসূতি মায়ের

2026-01-22T17:32:50+00:00
2026-01-22T17:32:50+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
রামগতি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এক বছরে ১,৮১৯টি নরমাল ডেলিভারি
রামগতি (লক্ষ্মীপুর) প্রতিনিধি
প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩২ পিএম   (ভিজিট : ২৭৪)
X

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলা ৩১ শয্যা বিশিষ্ট স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত এক বছরে (২০২৫ সাল) ঝুঁকিমুক্তভাবে ১,৮১৯ জন প্রসূতি মায়ের নরমাল ডেলিভারি সম্পন্ন হয়েছে। একই সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে ৪২ জন প্রসূতিকে লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনুমোদিত ৬টি মিডওয়াইফ পদ থাকলেও বর্তমানে একজন মিডওয়াইফও কর্মরত নেই। তবুও মিডওয়াইফ ছাড়াই হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্সদের সহায়তায় প্রতিনিয়ত ডেলিভারির মতো ঝুঁকিপূর্ণ সেবা দিতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।

এক সময় প্রাইভেট হাসপাতাল ও দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে প্রসূতি মা ও তাদের পরিবারকে আর্থিকভাবে সর্বস্বান্ত হতে হতো। বর্তমানে সরকারি হাসপাতালে ডেলিভারি সেবা জোরদার হওয়ায় কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর মধ্যে।

হাসপাতালের ভেতরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও পরিবেশ তুলনামূলক ভালো হলেও পরিচ্ছন্নতাকর্মীর তীব্র সংকটের কারণে রোগীদের অনেক সময় নোংরা ও অস্বস্তিকর পরিবেশে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

রামগতি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. কামনাশিষ মজুমদার জানান, “নানাবিধ সংকট ও জনবল স্বল্পতা সত্ত্বেও ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত এক বছরে ১,৮১৯ জন প্রসূতি মাকে নরমাল ডেলিভারি সেবা দেওয়া হয়েছে। এ সময় অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় ৪২ জনকে সদর হাসপাতালে রেফার করতে হয়েছে।”

তিনি আরও বলেন, “বর্তমানে হাসপাতালটির শয্যা সংখ্যা ৩১ হলেও নিয়মিত ৭০ থেকে ৮০ জন রোগী ভর্তি থাকেন। এতে বেড ও চিকিৎসা সরঞ্জামের ঘাটতি দেখা দেয়। ফলে রোগীরা যেমন দুর্ভোগে পড়ছেন, তেমনি চিকিৎসক ও নার্সদেরও অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হচ্ছে।”

জনবল সংকটের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, হাসপাতালে ১২টি মেডিকেল অফিসার পদের মধ্যে ৬টি শূন্য, ৯টি জুনিয়র কনসালটেন্ট পদ শূন্য রয়েছে। ৩০ জন নার্সের বিপরীতে কর্মরত আছেন ২৭ জন। ৬টি মিডওয়াইফ পদের একটিও পূরণ হয়নি। পাশাপাশি অনুমোদিত ৫ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মীর কেউই বর্তমানে কর্মরত নেই।

ডা. কামনাশিষ মজুমদার মনে করেন, হাসপাতালটিকে ৫০ শয্যায় উন্নীত করা, আবাসন সুবিধা বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ দেওয়া হলে এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy