প্রকাশ: শনিবার, ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ১:৩৭ পিএম (ভিজিট : ৮৩)

X
ময়মনসিংহের হালুয়াঘাটে চেকপোস্টে তল্লাশিকালে কনস্টেবল ইজাউল হক ভূঁইয়াকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে জখম করার ঘটনায় শুক্রবার রাতে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলার আগেই শুক্রবার দুপুরে পুলিশি অভিযানে প্রধান অভিযুক্ত শাহরিয়ার আহমেদ লিয়ন (২৮) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনায় শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) রাতে হালুয়াঘাট থানায় মামলাটি দায়ের করেন এএসআই মোঃ নওয়াব আলী।
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম ও অপারেশন) মো. আশরাফুল করিম। মামলায় লিয়নের নাম উল্লেখ সহ আরেক জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২৩ জানুয়ারি রাতে দিকে হালুয়াঘাট পৌর এলাকায় পাগলপাড়া ব্রিজ সংলগ্ন অস্থায়ী চেকপোস্টে একটি মোটরসাইকেলকে থামার সংকেত দেয় পুলিশ। মোটরসাইকেল চালক শাহরিয়ার আহমেদ লিয়ন থামতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পুলিশের সাথে চরম দুর্ব্যবহার করেন এবং নিজেকে বড় নেতার ছেলে পরিচয় দিয়ে হুমকি দেন।
পরবর্তীতে আনুমানিক রাত সাড়ে ৩ টার দিকে লিয়ন তার বাসার সামনে রাস্তায় দায়িত্বরত পুলিশের ওপর হামলা করেন। এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, লিয়ন বাসা থেকে দা নিয়ে এসে কনস্টেবল মোঃ ইজাউল হক ভূঁইয়াকে হত্যার উদ্দেশ্যে পিঠে কোপ দেন।
গুরুতর আহত কনস্টেবল ইজাউল হককে উদ্ধার করে প্রথমে হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৮ নং ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছে। তার পিঠে গভীর কাটা জখম রয়েছে।
গ্রেফতারকৃত লিয়ন হালুয়াঘাট উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক মোঃ রুহুল আমিনের ছেলে এবং বিএনপি'র যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সের কর্মী হিসেবে এলাকায় পরিচিত।
এ বিষয়ে সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স অপরাধীর সর্বোচ্চ শাস্তির দাবি জানিয়ে বলেন, "মাদক ও বেকারত্বের কারণে যুব সমাজের অবক্ষয় দেখা দিয়েছে। তবে অপরাধী যে-ই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনতে হবে"।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আশরাফুল করিম আরও জানান, ঘটনাস্থল থেকে লিয়নের মোটরসাইকেলটি জব্দ করা হয়েছে এবং অন্য আসামিকে শনাক্তে তদন্ত চলছে।