নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ফেরিঘাট নিয়ে অযথা রাজনীতি দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার বড় অন্তরায়। অতীতে অনেক দ্বীপ ও দুর্গম এলাকায় শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে ফেরিঘাট চালু করা সম্ভব হয়নি।
রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে কুতুবদিয়া–মগনামা নৌপথে সি-ট্রাক চলাচলের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. সাখাওয়াত হোসেন বলেন, “ফেরিঘাট নিয়ে অনেকেই রাজনীতি করেন। অথচ বিআইডব্লিউটিএ’র মূল কাজই হলো ফেরিঘাট স্থাপন ও পরিচালনা। কিন্তু নানা স্বার্থান্বেষী মহল ও রাজনৈতিক বাধার কারণে অনেক জায়গায় আজও ফেরিঘাট চালু করা যায়নি। হাতিয়া উপজেলায় ৪০ বছরেও ফেরিঘাট চালু হয়নি—এটা অত্যন্ত দুঃখজনক।”
তিনি আরও বলেন, “অনেকেই এসব ঘাট ও নৌপথ থেকে ব্যক্তিগতভাবে আয় করেন। ফলে তারা চায় না নিয়মতান্ত্রিক ফেরিঘাট চালু হোক। তবে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর অন্তত কিছু জায়গায় হলেও এ সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হচ্ছে।”
এ সময় তিনি ফেরিঘাট ও নৌযোগাযোগ নিয়ে রাজনৈতিক বিবেচনার ঊর্ধ্বে উঠে কাজ করার জন্য সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।
সি-ট্রাক উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নুরুন্নার চৌধুরী, উপদেষ্টার একান্ত সচিব মো. জাহিদুল ইসলাম, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)-এর চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা, যুগ্ম সচিব ও সদস্য (প্রকৌশল) এ. কে. এম. ফজলুল হক, যুগ্ম সচিব ও সদস্য (পরিকল্পনা ও পরিচালন) মো. সাজেদুর রহমান, বন্দর ও পরিবহন বিভাগের পরিচালক এ কে এম আরিফ উদ্দিন, প্রধান প্রকৌশলী (পুর) এ এইচ মো. ফরহাদ উজ্জামান, নৌসংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগের পরিচালক ক্যাপ্টেন মো. শাহজাহানসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এছাড়াও কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান, কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জামশেদ আলম রানা এবং পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহবুব আলম মাহবুব অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।