পিআইও অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি অর্থবছরে ১ম ও ২য় পর্যায়ের প্রকল্পগুলোর বেশিরভাগই টেকসই ও দৃশ্যমান। অধিকাংশ কাজ হয়েছে পাকা রাস্তা ও ইটের সলিং—যা বর্ষাকালে এক ইউনিয়ন থেকে অন্য ইউনিয়নে সহজ যাতায়াতের সুবিধা দেবে। কিছু এলাকায় মাটির কাজ হলেও, সেগুলোর মান যথাযথভাবে রক্ষা করা হয়েছে।
উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন—উথুরা, মেদুয়ারী, ভরাডোবা, ধীতপুর, বিরুনীয়া, ভালুকা, মল্লিকবাড়ী, ডাকাতিয়া, কাচিনা, হবিরবাড়ী ও রাজৈ—এ বাস্তবায়িত প্রকল্পগুলো নিয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীর সন্তুষ্টি চোখে পড়ার মতো। তারা জানিয়েছেন, অতীতের তুলনায় এবার প্রকল্পগুলোর মান ও গতি দুই-ই ছিল অত্যন্ত প্রশংসনীয়।
ইউএনও মোঃ ফিরোজ হোসেন বলেন, "উন্নয়ন প্রকল্পের তালিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেছি। নিজের সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রতিটি প্রকল্প পর্যবেক্ষণ করেছি। কোনো অনিয়ম সহ্য করা হয়নি। জনগণের আস্থা অর্জনই আমাদের মূল লক্ষ্য।"
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মহিদুল আলম বলেন,"ইউএনও স্যারের দিকনির্দেশনায় আমি নতুন করে কাজের সাহস ও অনুপ্রেরণা পেয়েছি। প্রতিটি প্রকল্পে পরিশ্রম ও মনিটরিং নিশ্চিত করেছি। ভালুকাবাসীর জন্য শতভাগ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পেরে আমি গর্বিত।"
সাধারণ মানুষের মতে—এই দুই কর্মকর্তা ভালুকার উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছেন। স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও নিষ্ঠার মাধ্যমে তাঁরা হয়ে উঠেছেন জনগণের আস্থার প্রতীক। এই উন্নয়ন ধারার ফলে আজ ভালুকার গ্রামীণ জনপদে বইছে হাসির ঝিলিক—যা এক নতুন ভালুকার প্রত্যয় বহন করে।