এ ঘটনার পর শনিবার সকালে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
জামতৈল ইউনিয়ন জামায়াতের সহসভাপতি সুলতান মাহমুদ জানান, শুক্রবার রাত ১২টার পর তিনি অফিস থেকে চলে যান। ফজরের নামাজের সময় এসে দেখেন অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে। তবে কে বা কারা আগুন দিয়েছে, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন।
উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা ইউসুফ আলী বলেন, নির্বাচনী অফিসে আগুন দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি।
কামারখন্দ সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লা আল মামুন বলেন, জামতৈল গ্রামে জামায়াতের নির্বাচনী ক্যাম্পে আগুন দেওয়ার বিষয়টি সরেজমিনে নিশ্চিত হওয়া গেছে। এটি নির্বাচনী আচরণবিধির লঙ্ঘন। এলাকার সব রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের সতর্ক করা হয়েছে, যেন কেউ আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন।
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহীন আকন্দ বলেন, সহকারী পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।