২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিকে সংশোধিত মূল্যায়ন পদ্ধতি কার্যকর

অনলাইন ডেস্ক

শিক্ষা

২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক স্তরে নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি চালু হচ্ছে। প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে আবার পরীক্ষা নেওয়া হবে এবং মূল্যায়নের শতকরা বণ্টন নির্ধারণ করা হয়েছে।

2026-02-02T20:52:44+00:00
2026-02-02T20:52:44+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
চলতি শিক্ষাবর্ষেই বদলাচ্ছে প্রাথমিক শিক্ষার মূল্যায়ন পদ্ধতি
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:৫২ পিএম   (ভিজিট : ১৯৩)
প্রতীকী ছবি
X

প্রতীকী ছবি

চলতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষ থেকেই সংশোধিত মূল্যায়ন নির্দেশিকা বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ২৬ জানুয়ারি মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব।

মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে যেসব বিষয়ে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকা— উভয়ের মাধ্যমে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালিত হয়, সেসব বিষয়ে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৫০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন বা পরীক্ষা ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে যেসব বিষয়ে কেবল শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান করা হয়, সেসব বিষয়ে শতভাগ ধারাবাহিক মূল্যায়ন থাকবে; কোনো সামষ্টিক মূল্যায়ন নেওয়া হবে না।


তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ক্ষেত্রেও মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এ স্তরে পাঠ্যপুস্তক ও শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পরিচালিত বিষয়গুলোতে ধারাবাহিক মূল্যায়ন ৩০ শতাংশ এবং সামষ্টিক মূল্যায়ন ৭০ শতাংশ নির্ধারণ করা হয়েছে। আর যেসব বিষয়ে শুধু শিক্ষক সহায়িকার মাধ্যমে পাঠদান করা হয়, সেসব বিষয়ে ১০০ শতাংশ ধারাবাহিক মূল্যায়ন কার্যকর থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় নিজ উদ্যোগে প্রান্তিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করবে। কোনো বিদ্যালয়ের পক্ষে এককভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করা সম্ভব না হলে পার্শ্ববর্তী একাধিক বিদ্যালয় যৌথভাবে প্রশ্নপত্র তৈরি করতে পারবে। পাশাপাশি প্রতি প্রান্তিকে প্রত্যেক বিষয়ে সামষ্টিক মূল্যায়নে পাঠ্যপুস্তকের অনুশীলনী থেকে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।


এদিকে, তিন বছর পর আবার প্রাথমিকের প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণিতে পরীক্ষা পদ্ধতি ফিরছে। জাতীয় শিক্ষাক্রমের মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিমার্জনের অংশ হিসেবে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটি (এনসিসিসি)। নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়নের পর ২০২৩ সাল থেকে এ দুই শ্রেণিতে কোনো পরীক্ষা নেওয়া হতো না; কেবল ধারাবাহিক মূল্যায়নের মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হচ্ছিল।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) শিক্ষাক্রম উন্নয়ন ও মূল্যায়ন শাখার ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ মো. সাফায়েত আলম বলেন, গত ২৬ জানুয়ারি এনসিসিসির সভায় প্রাথমিকের প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণির মূল্যায়ন পদ্ধতিতে পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


এনসিটিবির শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও অ্যাসেসমেন্ট শাখার ঊর্ধ্বতন বিশেষজ্ঞ মাফরুহা নাজনীন বলেন, নতুন মূল্যায়ন পদ্ধতি চলতি বছর থেকেই কার্যকর হবে। সভার কার্যবিবরণী আনুষ্ঠানিকভাবে হাতে পাওয়ার পর এনসিটিবি স্কুলগুলোর জন্য প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করে তা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠাবে।

তবে প্রাক-প্রাথমিক স্তরের মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কোনো পরিবর্তন আসছে না বলেও জানান তিনি। অর্থাৎ আগের মতোই এ স্তরে কোনো মূল্যায়ন কার্যক্রম থাকবে না।




  বিষয়:   প্রাথমিক মূল্যায়ন পদ্ধতি  প্রথম শ্রেণিতে পরীক্ষা  দ্বিতীয় শ্রেণিতে পরীক্ষা  প্রাথমিক শিক্ষা সংবাদ  শিক্ষাক্রম পরিবর্তন বাংলাদেশ  এনসিটিবি নির্দেশনা  সামষ্টিক মূল্যায়ন  ধারাবাহিক মূল্যায়ন 



Loading...
Loading...


শিক্ষা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy