প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম (ভিজিট : ২৫৬)

X
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চর আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসায় ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (ভিসি) ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলমকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে চর আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসা পরিদর্শনে গেলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ তাঁর সম্মানে এই সংবর্ধনার আয়োজন করে। এ সময় তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের মাদ্রাসা পরিদর্শক অধ্যাপক মো. গিয়াস উদ্দিন এবং সহকারী পরিচালক (অর্থ) আবদুর নূর।
পরে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে “মাদ্রাসা শিক্ষার মানোন্নয়ন” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন চর আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়ব আলী।
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. মো. শামছুল আলম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাদ্রাসা পরিদর্শক অধ্যাপক মো. গিয়াস উদ্দিন, আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং কমিটির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাত হোসেন, সোনাইমুড়ী হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ মুনিরসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার সাবেক অধ্যক্ষ যাহেদ হোসেন ফারুকী, নোয়াখালী কারামতিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আহমদ আলী ছিদ্দিকী, হাজিরহাট হামিদিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন, চর জুবিলী রব্বানিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুর রহমান, রামগতি রব্বানিয়া ফাযিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষসহ বিভিন্ন মাদ্রাসার প্রধানগণ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. শামছুল আলম বলেন, তিনি নিজেও এই চর আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসা থেকে ১৯৮৫ সালে দাখিল পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে কামিল সম্পন্ন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন এবং সেখানে শিক্ষক হিসেবে যোগদান করে অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। বর্তমানে তিনি ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলরের দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, আগের তুলনায় বর্তমানে শিক্ষার পরিবেশ অনেক উন্নত। তোমরা যদি মনোযোগ দিয়ে পড়াশোনা করো, তবে সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছানোর সুযোগ অবশ্যই আসবে। তিনি আরও বলেন, তাঁর সময়ের শিক্ষকরা ছিলেন নিবেদিতপ্রাণ ও একাগ্রচিত্তে শিক্ষাদানে মনোযোগী এই আদর্শ অনুসরণ করেই শিক্ষার মানোন্নয়ন সম্ভব।
অনুষ্ঠান শেষে ভিসিকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।