প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১৫ এএম (ভিজিট : ১৫৪)

X
ভোলার চরফ্যাশনে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা ও থানার নির্দেশ অমান্য করে জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে হান্নান মুন্সি, রুহুল আমিন ও আবুল কালাম মুন্সির বিরুদ্ধে। অভিযোগ অনুযায়ী, তারা প্রায় ১২০ শতাংশ জমি দখলের উদ্দেশ্যে গভীর রাতে ভেকু মেশিন ব্যবহার করে মাটি কাটার কাজ শুরু করেন।
জানা যায়, চরফ্যাশন উপজেলার জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ডে চরফ্যাশন–দক্ষিণ আইচা আঞ্চলিক মহাসড়কসংলগ্ন শাহে আলম কাজীর ক্রয়সূত্রে মালিকানাধীন ২৫ বছরের দখলীয় জমি দীর্ঘদিন যাবত জাল দলিলে মালিকানা দাবি করে আসছে তারা। তারি ধারাবাহিকতায় শাহে আলম কাজীর ইটের বাউন্ডারি দেয়া প্রায় ১২০ শতাংশ জমি বেদখলের চেষ্টা করছেন হান্নান মুন্সি গং।
বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে অভিযুক্তরা ভেকু মেশিন এনে মাটি কেটে পুকুর খনন শুরু করেন। খবর পেয়ে সকালে চরফ্যাশন থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সব ধরনের কাজ বন্ধ করে দেয়।
ভুক্তভোগী শাহে আলম কাজী অভিযোগ করে বলেন, স্থানীয় সালামত উল্লাহ মুন্সি জীবিত থাকাকালে জাল দলিল তৈরি করে এই জমির মালিকানা দাবি করেন। তার মৃত্যুর পর গত ৫ আগস্টের পর থেকেই তার দুই ছেলে ও ভাই মিলে ওই জমি দখলের অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। তিনি আরও বলেন, “আদালতের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও তারা রাতের অন্ধকারে মাটি কেটে জোরপূর্বক জমি দখলের চেষ্টা করেছে।”
অভিযোগের বিষয়ে হান্নান মুন্সি দাবি করেন, বাউন্ডারির ভেতরে তাদের নিজস্ব জমি রয়েছে এবং সেই জমির মাটিই তারা কেটেছেন। তবে পুলিশ ঘটনাস্থলে আসার পর আইনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আপাতত কাজ বন্ধ রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
চরফ্যাশন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জাহাঙ্গীর বাদশা বলেন, “অভিযোগ পাওয়ার সাথেই পুলিশ পাঠিয়ে কাজ বন্ধ করা হয়েছে। আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষকে ওই জমিতে সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”