কাশিমপুর কারাগার-১ এর কারা তত্ত্বাবধায়ক আবু নুর রেজা জানিয়েছেন, তার কারাগারে ১৬১ জন বন্দি পোস্টাল ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। তাদের মধ্যে যাচাই-বাছাইয়ের পর ৫১টি ব্যালট হাতে পেয়েছেন, বাকিগুলো পর্যায়ক্রম আসবে।
কাশিমপুর কারাকার-২ এর তত্ত্বাবধায়ক মোঃ আল মামুন জানিয়েছেন, তার কারাগারে ১৩৭ জন বন্দি পোস্টাল ভোট দেয়ার জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। ইতোমধ্যে তাদের ১০০টির মতো ব্যালট হাতে পেয়েছেন।
কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয়
কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন তার কারাগারে ৬২৯ জন বন্দি পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন তাদের মধ্যে এযাবৎ ৩৩০ টি ব্যালট হাতে পেয়েছেন। অবশিষ্ট গুলি যাচাই বাছাই শেষে তাদের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
কাশিমপুর কেন্দ্রীয় মহিলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক কাওয়ালিন নাহার জানিয়েছেন তাদের কারাগারে ৪৪ জন নারী বন্দী পোস্টাল ব্যালটে ভোট প্রদানের জন্য রেজিস্ট্রেশন করেছেন। তাদের মধ্যে একমাত্র ২৬টি পেল হাতে পেয়েছেন। সমগ্র ব্যালট যাচাই বাছাইয়ের পর হাতে পৌঁছেলে কারাগারে বুথ স্থাপন করে ভোট গ্রহণ করা হবে।
অপরদিকে নির্বাচন কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর জেলার পাঁচটি সংসদীয় আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য মোট ২৩ হাজার ১৭ জন ভোটার নিবন্ধিত হন। যাচাই-বাছাই শেষে এর মধ্যে ২২ হাজার ৯২৭টি পোস্টাল ব্যালট অনুমোদিত হয় এবং ৯০টি ব্যালট অনুমোদন পায়নি। অনুমোদিত সব ব্যালটই বিধি অনুযায়ী বিডি পোস্টের মাধ্যমে প্রেরণের জন্য প্রস্তুত করা হয়।
রোববার ডাকযোগে প্রাপ্ত পোস্টাল ব্যালট স্ক্যানিং কার্যক্রমের প্রথম দিনে জেলা প্রশাসনের হাতে ৫০টি পোস্টাল ব্যালট এসে পৌঁছায়। এসব ব্যালট স্ক্যান করে যাচাই করতে গিয়ে সার্ভার জটিলতার কারণে স্ক্যানিং রিপোর্টে তথ্যগত অসামঞ্জস্য ধরা পড়ে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অবহিত করা হলে কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ওইদিন পোস্টাল ব্যালটের যাচাই (স্ক্যানিং) কার্যক্রম আপাতত স্থগিত করা হয়।