প্রকাশ: রোববার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১:২৮ পিএম (ভিজিট : ১০৩)

X
ফাইল ছবি
সরকারী নীতিমালা লংঘন করে আটঘরিয়া পৌরসভার নির্বাহী কর্মকর্তার শূন্য পদে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার পরিবর্তে আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক একজন কনিষ্ঠ কর্মচারীকে দায়িত্ব দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই পৌরসভার কতিপয় কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়েরকৃত অভিযোগে জানা যায়, স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগের ২০১২ সালের ২ মে জারিকৃত গেজেট বিজ্ঞপ্তি মারফত স্থানীয় সরকার পৌরসভা আইন ২০০৯ (২০০৯ সনের ৫৮ নং আইন) এর ধারা ১২০ ও ধারা ৭০ এর মোতাবেক পৌরসভার তহবিল পরিচালনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যাক্তি পৌর মেয়র অথবা ক্ষেত্রমতে প্যানেল মেয়র বা নিযুক্ত প্রশাসক এবং পৌরসভার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা বা সচিব বা উভয়ই না থাকলে পৌরতে কর্মরত জ্যেষ্ঠতম কর্মকর্তা কর্তৃক যৌথভাবে পরিচালিত হবে।
এই পৌরসভার নির্বাহী কর্মকথা অন্যত্র বদলি হওয়ায় তার শূন্য পদে কাজ সম্পাদনের লক্ষ্যে একজনকে পৌরনির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার প্রয়োজন দেখা দেওয়ায় বর্তমানে পৌর প্রশাসক ও আটঘরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার সরকারি নীতিমালা লংঘন করে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে দায়িত্ব না দিয়ে গত ২৭-০১-২০২৬ তারিখে---/২৮ নং স্মারকপত্রে একজন ১৩ তম গ্রেডের কনিষ্ঠ কর্মচারী কর নির্ধারক আবু বকর সিদ্দিককে পরবর্তী পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা পদায়ন না হওয়া পর্যন্ত আর্থিক ক্ষমতা ব্যতীত পৌর নির্বাহী কর্মকর্তার সকল দায়িত্ব পালনের জন্য আদেশ জারি করেছেন যা পৌরসভার নীতিমালা পরিপন্থী। এতে অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অভিযোগও দায়ের হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফারজানা আক্তারের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জনান, বিধি মোতাবেক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এবং প্রসাশক যাকে ইচ্ছা তাকে দায়িতাব দিতে পারে। এসব কারণে কতৃপক্ষ তড়িঘরি করে সহকারী পৌকোশলী জীবনকুমার রায়কে আর্থিক ক্ষমতদা প্রদান করা হয়েছে বলে জানা গেছে।