প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:১২ এএম (ভিজিট : ১০৭)

X
নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী আংশিক) আসনের সোনাইমুড়ী অংশে মোট ৬৯টি ভোটকেন্দ্রে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এসব কেন্দ্রে দুই লাখ ১৮ হাজার ৫১১ জন ভোটারের নির্বিঘ্ন ভোটাধিকার নিশ্চিত করতে সিসি ক্যামেরাসহ বিভিন্ন নিরাপত্তামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে প্রশাসন।
কেন্দ্রগুলোকে পাঁচ শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে- ঝুঁকিপূর্ণ, অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, গুরুত্বপূর্ণ, অধিক গুরুত্বপূর্ণ ও সাধারণ। এর মধ্যে ১৩টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ, ১১টি অধিক ঝুঁকিপূর্ণ, ১টি গুরুত্বপূর্ণ, ৩টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ এবং ৪১টি সাধারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সে হিসাবে মোট ২৪টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ ও অধিক ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।
প্রশাসনের তালিকা অনুযায়ী, দেওটি ইউনিয়নের পতিশ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও ঘাসেরখিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র দুটি সবচেয়ে দূরবর্তী। কুমিল্লা জেলার সীমানা সংলগ্ন চাষিরহাট ইউনিয়নের পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাহারপাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্র সোনাইমুড়ী থানা থেকে ৫ থেকে ৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। এর মধ্যে কাবিলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে ঝুঁকিপূর্ণ এবং পোরকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়কে অধিক গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, পূর্ববর্তী বিভিন্ন নির্বাচনে চারটি কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছিল। এগুলো হলো- সোনাইমুড়ী পৌরসভার বাটরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, নদনা ইউনিয়নের কালুয়াই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, বজরা ইউনিয়নের ছনগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং বারাহিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।
এদিকে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা মো. ছাইফ উল্যাহ গত ৩০ জানুয়ারি এক মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের সামনে দাবি করেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোর একটি তালিকা তাদের পক্ষ থেকে প্রশাসনের কাছে দেওয়া হয়েছে। তিনি সোনাইমুড়ী রেলওয়ে চত্বরে আয়োজিত এক সভাতেও একই বক্তব্য দেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে। সোনাইমুড়ী থানার ওসি মো. কবির হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা রাখা হবে। পুলিশ, সেনাবাহিনী, র্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। পাশাপাশি ভোটার ও গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।