প্রকাশ: শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:০২ পিএম (ভিজিট : ৬৩)

X
টাঙ্গাইল শহরের বটতলা ও ঘাটাইলের আঠারোদানা নামক স্থানে দুটি পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় চার জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার(১৩ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাত ও বিকালে ওই দুটি দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হচ্ছেন- টাঙ্গাইল শহরের ছোট কালীবাড়ি এলাকার দুই বন্ধু স্বাধীন (২১) ও ফাহিম (২২) এবং ঘাটাইলে নিহতরা টাঙ্গাইল সদর উপজেলার বাঘিল ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর গ্রামের লাইলী বেগম (২৮) ও তার ভাগ্নী মদিনা আক্তার (১৮)।
জানা যায়- টাঙ্গাইল শহরের জেলা সদর রোডের বটতলাস্থ রফিক-রাজু স্কুলের সামনে শুক্রবার দিনগত রাত ১১টার দিকে দ্রুতগতির একটি মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফুটপাতে স্থাপনকৃত গ্যাস রাইজারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে দুই বন্ধু গুরুতর আহত হয়। পরে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দুজনকে মৃত ঘোষণা করেন।
টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের পুলিশ বক্সের ইনচার্জ আলমগীর হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে টাঙ্গাইল শহর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে দুই যুবক বাড়ি ফিরছিলেন। এ সময় তারা শহরের বটতলা এলাকায় পৌঁছলে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাশের ফুটপাতে স্থাপিত গ্যাসের রাইজারের সঙ্গে ধাক্কা লেগে সড়কে ছিটকে পড়ে মাথায় গুরুতর জখম হয়। হাসপাতালে আনা হলে তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেয়ে এসেছে। রাতেই নবনির্বাচিত এমপি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নিহতদের দেখতে হাসপাতালে যান এবং শোকার্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বাদ যোহর শহরের বিবেকানন্দ স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে দুই বন্ধুর জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
অপরদিকে, টাঙ্গাইল-ময়মনসিংহ আঞ্চলিক মহাসড়কে ঘাটাইলের আঠারোদানা নামক স্থানে ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলের(স্কুটি) ধাক্কা লেগে খালা-ভাগনি নিহত হন। ঘাটাইল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাইদুর রহমান জানান, বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকালে খালা লাইলী বেগমকে সঙ্গে নিয়ে মোটরসাইকেল যোগে (স্কুটি) মদিনা আক্তার ঘাটাইলে তার এক বান্ধবীর বাড়িতে বেড়াতে যান। সেখান থেকে শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকালে ফেরার সময় সামনে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে মোটরসাইকেলটি ধাক্কা দেয়। এ সময় তারা দুইজনেই মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে পাশের কালিহাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন। পরে তাদের মরদেহ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।