প্রকাশ: রোববার, ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৯:০৮ পিএম (ভিজিট : ২৫৯)

X
কয়েকজন বন্ধুকে নিয়ে হাটহাজারীর মাদার্শা এলাকার একটি ওরশে গিয়েছিল রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মইশকরম গ্রামের কিশোর সার্ব্বির (১৯)। ওরশে কোনো একটি বিষয় নিয়ে সার্ব্বিরদের সাথে কথা-কাটাকাটি হয় হাটহাজারী এলাকার কয়েকজন কিশোরের সাথে।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি শনিবার গভীর রাতের এই ঘটনায় দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির পর সার্ব্বিররা হালদা নদীর রামদাশ মুন্সির ঘাটে এসে নৌকায় উঠছিল নদীর অপর পাড়ে নিজেদের বাড়ি ফেরার উদেশ্যে। এসময় সার্ব্বিদের উপর প্রতিপক্ষ দলটি সার্ব্বিদের নৌকা আটকিয়ে লাঠিসোটা দিয়ে হামলা চালায়।
একপর্যায়ে আক্রান্তরা হামলাকারীদের হাত থেকে রক্ষায় নৌকা থেকে নদীতে ঝাপ দেয়। পরে সার্ব্বিরের সাথে থাকা দুজন সাঁতরিয়ে নদী থেকে উঠে আসতে সক্ষম হলেও সার্ব্বির নদীতে তলিয়ে নিখোঁজ হয়। এই তথ্য দিয়েছে নিখোঁজ সার্ব্বিরের স্বাজনরা। কিশোর সাব্বির রাউজানের উরকিরচর ইউনিয়নের মইশকরম গ্রামের আব্দুল মান্নানের একমাত্র ছেলে।
স্থানীয়রা জানিয়েছে এই ঘটনার পর থেকে নিখোঁজ কিশোরের পরিবারের সদস্যসহ নদীর দুই পাড়ের শত শত মানুষ তাকে উদ্ধারে নদীতে অনুসন্ধান চালিয়ে আসছে। রোববার দুপুরে নদীতে নেমেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবরি দল। রাত আটটা পর্যন্ত তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।
অনুসন্ধানে থাকা লোকজন জানিয়েছে, ঘটনাস্থল থেকে ৩ কিলোমিটার দুরের একটি জেলে পাড়ার কাছে নিখোঁজ তরুণের গায়ের জ্যাকেটটি ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে হালদাপাড়ের রামদাস মুন্সির হাটের নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক মোহাম্মদ রমজান আলী বলেন, হালদা পাড়ে সিসি ক্যামরা বসানো আছে। ক্যাম্পে রাখা মনিটরের তারা দেখেন একটি নৌকায় থাকা কয়েকজন কিশোরকে আরেকদল কিশোর লাঠি দিয়ে পেটাচ্ছে।
তবে পুলিশ হামলাকারীদের নাম পরিচয় জানাতে পারেনি। পুলিশের এই কর্মকর্তা জানান, নিখোঁজ তরুণের সন্ধানে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাজ করছেন।