প্রকাশ: শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:২৮ পিএম (ভিজিট : ৪৯)

X
পাবনার ঈশ্বরদীতে বিস্তৃর্ণ মাঠ জুড়ে সরিষা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর সরিষার বাম্পার ফলন হয়েছে বলে দাবি কৃষকদের।
বাজারে সিন্ডিকেট না থাকলে এবছর সরিষা থেকে ভালো আয় করা সম্ভব হবে বলে ধারণা করছেন চাষিরা।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সিম্প্রসারণ অফিসের তথ্যানুযায়ী এবছর ঈশ্বরদী উপজেলায় মোট সরিষা চাষের লক্ষমাত্রা ছিলো ১৭৭০ হেক্টর জমিতে। তবে মোট চাষ হয়েছিলো ১৭৫০ হেক্টর জমিতে। লক্ষমাত্রার চেয়ে ২০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ কম হলেও বাম্পার ফলনে মোট উৎপাদন হয়েছে ২৬২৫ মেট্রিকটন। যা অন্যান্য বছরের তুলনায় বেশী বলে দাবি করেছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।
এ অঞ্চলের মাটির গুনাগুন আর আবহাওয়া অনুযারী সব চেয়ে বেশী চাষ করা হয় বারি ১৪ ও ১৭ বিনা ৯ এবং টরি ৭ জাতের সরিষা। ফলন বেশী আর আবহাওয়া সহায়ক হওয়ায় এসব জাতের চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেশী থাকে।
উপজেলা লক্ষীকুন্ডার চরাঞ্চল, সিলিমপুর, আওতাপাড়া, ভাড়ইমারী, নওদাপাড়া , মুলাডুলি, পতিরাজপুর, সুলতানপুর, অরণকোলা এবং বাঘহাছলার বিস্তৃর্ণ মাঠ জুরে এবার চাষ হয়েছে এসব জাতের সরিষা।
সরিষাচাষী আসলাম হোসেন জানান, গত কয়েক বছরের তুলনায় এবছর মাঠে সরিষার চাষ ভালো হয়েছে। ভালো ফলন পেয়েছি। সরিষা চাষে খরচ কম হওয়ায় লভ্যাংশ থাকে ভালো। ফলে অন্যান্য ফসলে হওয়া লোকসান আমরা কাটিয়ে উঠতে পারব।
কৃষক আনারুল বলেন, ধান কেটে নরম জমিতেই সরিষা বুনেছিলাম। মাঝে শুধু একবার সামান্য সার দিয়েছিলাম। বালাই নাষক ছিটিয়ে ছিলাম দুই বার। তাতেই অনেক ভালো সরিষা হয়েছে। কম খরচ আর স্বল্প পরিশ্রমে এর চেয়ে বেশী লাভ আশা করা যায়না।
ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা আব্দুল মোমিন বলেন, সরিষা চাষের লক্ষমাত্রার চেয়ে প্রায় ২০ হেক্টর কম জমিতে এবছর সরিষার চাষ হয়েছে। তবে ফলন ভালো হওয়ায় উৎপাদন লক্ষমাত্রা পূর্ণ হয়েছে। সরিষা চাষের কৃষকদের আগ্রহ বাড়াতে উপজেলা কৃষি অফিস থেকে উন্নত মানের সরিষা বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। ঠিকমত পরামর্শ পেয়েই এবারের বাম্পার ফলন অর্জিত হয়েছে বলেও তিনি দাবি করেন।