২০২৯ সালের ৩ নভেম্বরই শেষ হবে আমার মেয়াদ: ডা. শাহাদাত

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাবাংলা

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২০২৯ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ আমার মেয়াদ শেষ হবে। মেয়াদের

2026-02-22T18:28:21+00:00
2026-02-22T18:28:21+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
২০২৯ সালের ৩ নভেম্বরই শেষ হবে আমার মেয়াদ: ডা. শাহাদাত
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: রোববার, ২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৬:২৮ পিএম   (ভিজিট : ১৩৬)
X

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ২০২৯ সালের নভেম্বরের ৩ তারিখ আমার মেয়াদ শেষ হবে। মেয়াদের বিষয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেন। তবে একইসঙ্গে সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচনের পক্ষেও মত দিয়েছেন তিনি।


রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে নগরীর হালিশহর এইচ ব্লকে একটি পার্ক ও ওয়াকওয়ের সৌন্দর্যবর্ধন কাজের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মেয়র এসব কথা বলেন।


ডা. শাহাদাত দাবি করেন, আদালতের রায়ের মাধ্যমে আগের মেয়রের পুরো সময়কাল অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। তিনি যেদিন শপথ নিয়েছেন, সেদিন থেকেই পাঁচ বছরের জন্য দায়িত্ব পেয়েছেন। সেই হিসেবে তার মেয়াদ ২০২৯ সালের নভেম্বর পর্যন্ত বলেও জানান। এ ছাড়া সরকার তাকে পাঁচ বছরের জন্য কূটনৈতিক পাসপোর্ট দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


নিজের রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর আন্দোলন-সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বর্তমান অবস্থানে এসেছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তাকে কারাবন্দি করা হয়েছিল বলেও দাবি করেন তিনি।


২০২১ সালের সিটি নির্বাচনের বিষয়ে মেয়র অভিযোগ করেন, তখন ভয়ভীতির পরিবেশ ছিল। ইভিএমে ভোটগ্রহণের পর প্রিন্টেড কপি না দিয়ে হাতে লেখা ফলাফল দেওয়া হয়েছিল, যা তিনি মেনে নেননি। পরবর্তীতে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হন এবং তিন বছর আইনি লড়াই চালিয়ে যান।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, নির্বাচনের সময় তার এজেন্ট ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করা হয়েছিল এবং বিভিন্ন কেন্দ্রে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এমনকি নির্বাচনের দিন রাতেই হার্ডডিস্ক পুড়িয়ে ফেলার অভিযোগও তোলেন তিনি।


মেয়র বলেন, তার রাজনৈতিক জীবন প্রায় চার দশকের। ছাত্রদলের সভাপতির পদ দিয়ে রাজনীতি শুরু করেন তিনি। এত দীর্ঘ সময়ে কখনও উৎসবমুখর ও প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচন মোকাবিলার সুযোগ পাননি বলে আক্ষেপ করেন।


চট্টগ্রাম শহরে প্রায় ২২ লাখ ভোটার রয়েছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ভোটের মাধ্যমেই জানা উচিত কতজন তাকে সমর্থন করেন। সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে ইতিহাসের অন্যতম ভালো নির্বাচন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


বিএনপির বিরুদ্ধে নির্বাচন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সরকারে থাকা অবস্থায় তিনি দেখেছেন কিছু উপদেষ্টা বিএনপিকে হারানোর চেষ্টা করেছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত জনগণই তাদের মতামত দিয়েছেন। তারেক রহমানের জনপ্রিয়তার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, পলোগ্রাউন্ড মাঠে ২৩টি আসনে সমাবেশ করে ২১টিতে জয় পাওয়া তার ক্যারিশমার প্রমাণ। বিদ্রোহী প্রার্থী না থাকলে বাঁশখালীতেও বিএনপি জয়ী হতো বলে মন্তব্য করেন তিনি।


নিজেকে দেশের একমাত্র মেয়র হিসেবে উল্লেখ করে ডা. শাহাদাত বলেন, আদালতের নির্দেশে তিনি ২০২৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্বে আছেন। তবে নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় (এলজিআরডি) মন্ত্রণালয়ের। তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিয়েছে বলেও জানান।


তিনি বলেন, শুধু চট্টগ্রাম নয়, ঢাকাতেও নির্বাচন হওয়া উচিত। কাউন্সিলর না থাকায় নগরবাসী সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। এলজিআরডির পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতে হবে এবং প্রশাসক নিয়োগের সুযোগ নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি।


দল তাকে আবার প্রার্থী ঘোষণা করলে তফসিল ঘোষণার পর তিনি পদত্যাগ করবেন জানিয়ে মেয়র বলেন, মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে দলের নিজস্ব প্রক্রিয়া রয়েছে এবং চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করবেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী।


সবশেষে তিনি বলেন, জনগণই ঠিক করবেন কাকে ভোট দেবেন। তিনি একটি সুষ্ঠু ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে নির্বাচন চান।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy