প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৪:৫৯ পিএম (ভিজিট : ২৪৭)

X
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে নারী শিশুসহ একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ফেরুয়ারি) ভোররাত ৪ টায় দাউদকান্দি পৌরসদরের বলদাখাল এলাকার পিয়ার হোসেনের বাড়ির তিন তলা ভবনের নিচতলায় এই দুর্ঘটনা ঘটে।
দুর্ঘটনায় গ্রামীণ ব্যাংক দাউদকান্দি দক্ষিণ শাখার ম্যানেজার উম্মে হুমায়রা (৩০) হুমাইরার ফুফু মনোয়ার (৬০) উম্মে হুমায়রার স্বামী জিল হক (৩৭) হোমনা রেহেনা মজিদ কলেজের প্রভাষক ও কন্যা হুররাম (২) সহ পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়।
ওই বাড়ির মালিক পিয়ার হোসেনের স্ত্রী শেফালী আক্তার জানান, দীর্ঘদিন থেকে আমাদের গ্যাস সংযোগটি অবৈধ ও বিচ্ছিন্ন ছিল।তিনি আরো জানান একটি চক্র এসে প্রতি মাসে ভাড়া নিয়ে যান
গতকাল রাত ২ঃ০০ টায় অবৈধভাবে গ্যাস লাইনটি সংযুক্ত করা হয়, বাড়াটিয়ারা তা জানতো না, উম্মে হুমায়রা ভোর রাত চারটায় সেহরি খাওয়ার জন্য এলপি গ্যাসের চুলা জ্বালাতে গেলে (ঘর ভর্তি গ্যাস থাকায়) তখনই বিস্ফোরণ ও অগ্নিপাতের ঘটনা ঘটে।
সকাল ৪:৩০ টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদেরকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে যাওয়া হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সকাল ছয়টার দিকে কুমিল্লার দাউদকান্দি এলাকা থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী শিশুসহ একই পরিবারে চারজনকে জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে মনোয়ারা বেগমের শরীরের দুই শতাংশ, জিল হকের শরীরের ৫৪ শতাংশ, উম্মে হুমায়রা শরীরের ৬৫ শতাংশ ও শিশু হুররামের শরীরে ৬ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে।
দাউদকান্দি ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন ইন্সপেক্টর মো: এরশাদ হোসেন বলেন, অগ্নিদগ্ধের খবর পেয়ে ভোর পাঁচটায় আমরা একটি টিম পাঠাই। ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। আমাদের টিম পৌছানের আগেই আহতদের ঢাকা পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছি লাইনেজ গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণ ঘটে।
দাউদকান্দি সহকারী কমিশনার ভূমি ও পৌর প্রশাসক মোঃ রেদওয়ান ইসাম বলেন, আমরা বিষয়টি জানতে পেরেছি। গ্যাস লাইন লিকেজ হওয়ার বিষয়টি তদন্ত করা হবে।