প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:৩৮ পিএম আপডেট: ২৪.০২.২০২৬ ৬:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৫০)

X
গাইবান্ধায় গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) পরিচালিত মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে সেই আলোচিত মানসিক ভারসাম্যহীন যুবককে মারধর ও নির্যাতনের মামলায় মঙ্গলবার ৫ আসামীর জামিন আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠায়।
গাইবান্ধা সদর আমলী আদালতের বিচারক অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুর রহমান এই আদেশ দেন। আসামীরা হচ্ছেন, জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত বাধন (৩৫), লাবিব (৩২), শিহাব (৩৫), আতিফ (৩৬) ও তালহা (৩৫)।
মঙ্গলবার সকালে গাইবান্ধা সদর আমলী আদালতে আসামীদের জামিনের আবেদন জানান আইনজীবি মনজুরুল করিম সোহেল ও আবদুর রশিদ জামিনের আবেদনের ওপর শুনানি হয়। এসময় বাদী পক্ষের আইনজীবি কাজী আমিরুল ইসলাম ফকু জামিনের বিরোধিতা করেন। আইনজীবি আমিরুল ইসলাম বলেন, আদালত জামিনের আবেদনের ওপর উভয়পক্ষের শুনানী গ্রহন করেন। শুনানী শেষে আসামীদের জামিনের আবেদন না মঞ্জুর করেন এবং তাদেরকে জেলা কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।পরে তাদেরকে গাইবান্ধা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়।
উল্লেখ্য, জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে নির্যাতন ও মারধরের শিকার মুর্শিদ হক্কানী (৩৭) একজন মানসিক ভারসাম্যহীন প্রকৃতির ব্যক্তি। গত বছরের ২৮ আগষ্ট মুর্শিদ শারীরিকভাবে অসুস্থ্য হয়ে পড়েন। তাকে গাইবান্ধা শহরের ভি-এইড রোডে অবস্থিত গাইবান্ধার বেসরকারি উন্নয়ন সংগঠন গণ উন্নয়ন কেন্দ্র (জিইউকে) পরিচালিত 'জিইউকে মাদকাসক্তি নিরাময় ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে' চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়।
এদিকে অসুস্থ অবস্থায় মুর্শিদ হক্কানীকে ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভতি করা হয়। সেখানে ১৩ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়।
এই ঘটনায় নির্যাতনের শিকার যুবকের বড়ভাই আওরঙ্গ হক্কানী বাদী হয়ে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি গাইবান্ধা সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। সাতদিন পর গত ২১ ফেব্রুয়ারি মামলাটি রেকর্ডভুক্ত করা হয়। মামলার বাদী আওরঙ্গ হক্কানী বলেন, সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আমি এই ঘটনার বিচার চাই। এসব বিষয়ে গাইবান্ধা সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন মুঠোফোনে জানান, ঘটনাটি তদন্তধীন রয়েছে।