প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১১:৩৯ এএম (ভিজিট : ১৫২)

X
বিএনপি সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষণা ছিল দরিদ্র পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। সে প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে আগামী ১০ মার্চ প্রাথমিকভাবে ফ্যামিলি কার্ড চালু করবে সরকার। আপাতত ১৪ উপজেলায় একটি করে ইউনিয়নে এ কার্ড বিতরণ করা হবে।
মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী আবু জাফর মোহাম্মদ জাহিদ হোসেন।
তবে এই কর্মসূচির অর্থের যোগান আসবে কোথা থেকে, এ প্রশ্ন উঠছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাবেক সিনিয়র অর্থসচিব মাহবুব আহমেদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘এ কর্মসূচি পরিচালনার জন্য চলতি বাজেট থেকে অর্থ বরাদ্দ করা হবে। কিন্তু কোনোভাবে টাকা ছাপিয়ে এ ধরনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা সঠিক হবে না। কারণ এতে মূল্যস্ফীতি আরেক দফা বেড়ে যাবে। সীমিত পরিসরে এ কর্মসূচি চালু হচ্ছে এটিও ঠিক আছে। তবে দারিদ্র্যসীমার নিচে বাস করছে কিন্তু পরিবারের ছেলেমেয়ে স্কুলে যাচ্ছে, সে পরিবারকেও অগ্রাধিকার দেওয়া যেতে পারে।’
এই পাইলটিং প্রকল্পের জন্য মোট ২ কোটি ১১ লাখ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। যার ৭৭ শতাংশ অর্থ সরাসরি দরিদ্র পরিবারগুলোর হাতে পৌঁছাবে। এটি বাংলাদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক মুক্তির একটি ঐতিহাসিক সনদ হিসাবে বিবেচিত হবে, যা প্রতিটি নাগরিকের মর্যাদা ও অধিকার নিশ্চিত করবে।
ফ্যামিলি কার্ডের অর্থায়ন প্রসঙ্গে অর্থ বিভাগের ঊর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা গণমাধ্যমকে বলেন, এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে যে অর্থের প্রয়োজন হবে, সেটি চলতি অর্থবছরের বাজেটের অপ্রত্যাশিত খাত এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বাজেট থেকে দেওয়া হবে। অবশ্য চার হাজার কোটি টাকার থোক বরাদ্দ আছে অপ্রত্যাশিত খাতে। ফলে অর্থ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।
এদিকে কার্ডের সুবিধাভোগী নারী নির্বাচনে সর্বোচ্চ স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। নির্বাচনের প্রক্রিয়া হিসাবে সরকারের খানা জরিপ এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় থেকে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির ডাটাবেজ ব্যবহার করা হবে। সেখান থেকে প্রকৃত এবং উপযুক্ত সুবিধাভোগীকে শনাক্ত এবং এনআইডি কার্ডের মাধ্যমে উপযুক্ত ব্যক্তিকে তালিকাভুক্ত করা হবে।