প্রকাশ: বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ২:২৪ পিএম (ভিজিট : ৩০৫)

X
টুঙ্গিপাড়া উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের “দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প (১ম সংশোধিত)” এর আওতায় নিবন্ধিত প্রান্তিক জেলেদের মধ্য থেকে নির্বাচিত সুফলভোগীদের মাঝে ৬০টি বকনা বাছুর বিতরণ করা হয়েছে। বুধবার সকাল ১১টায় উপজেলা ক্যাম্পাস মাঠে এ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম। সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার জহিরুল আলম।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. প্রকাশ বিশ্বাস, উপ-প্রকল্প পরিচালক মো. খাইরুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাকিবুল ইসলাম এবং সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার দেবাশীষ বাছাড়। এছাড়া টুঙ্গিপাড়া থানা-র অফিসার ইনচার্জ আইয়ুব আলি, প্রান্তিক জেলে ও বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
বক্তারা জানান, দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জেলেদের বিকল্প আয়ের উৎস সৃষ্টি করাই এ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য। বিশেষ করে অবৈধ ‘চায়না জাল’ ব্যবহার বন্ধ করে দেশীয় মাছের বিলুপ্তি রোধ এবং জলাশয়ে শামুক নিধন বন্ধে গুরুত্বারোপ করা হয়।
প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন, “প্রাকৃতিক জলাশয়ে অবাধে চায়না জাল ব্যবহার দেশীয় মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি। জীববৈচিত্র্য রক্ষায় সবাইকে আইন মেনে চলতে হবে এবং সরকার নির্ধারিত বিধিনিষেধ অনুসরণ করে মাছ আহরণ করতে হবে।”
সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, “জেলেদের জীবিকা সুরক্ষায় বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গবাদিপশু পালন করে তারা স্বাবলম্বী হতে পারবেন এবং প্রজনন মৌসুমে মাছ ধরা থেকে বিরত থেকে আইন মানতে উৎসাহিত হবেন।”
বকনা বাছুর পেয়ে প্রান্তিক জেলেরা সন্তোষ প্রকাশ করেন। তারা জানান, মাছ ধরার ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে গবাদিপশু পালন তাদের আয়ের নতুন পথ উন্মুক্ত করবে।
উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা যায়, পর্যায়ক্রমে এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং দেশীয় প্রজাতির মাছ ও শামুক সংরক্ষণে আরও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।