ঈশ্বরদীতে জোড়া খুন, এলাকায় চাঞ্চল্য!

ঈশ্বরদী(পাবনা) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনীকে খুনের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৭ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দিকশাইল এলাকায় এ

2026-02-28T12:52:35+00:00
2026-02-28T13:00:50+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
ঈশ্বরদীতে জোড়া খুন, এলাকায় চাঞ্চল্য!
বাড়ীর আঙ্গীনায় দাদী ও ক্ষেতে নাতনীর মৃতদেহ
ঈশ্বরদী(পাবনা) প্রতিনিধি
প্রকাশ: শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:৫২ পিএম   (ভিজিট : ৬৩)
প্রতীকী ছবি
X

প্রতীকী ছবি


পাবনার ঈশ্বরদীতে দাদি ও নাতনীকে খুনের ঘটনা ঘটেছে।  শুক্রবার (২৭ফেব্রুয়ারী) দিবাগত রাতে উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের দিকশাইল এলাকায় এ খুনের ঘটনা ঘটে।

নিহত সুফিয়া (৬৫) ঐ এলাকার মৃত নাজিম উদ্দীনের স্ত্রী এবং একই এলাকার জয়নাল হোসেনের মেয়ে জমিলা খাতুন (১৬)। নিহতরা সম্পর্কে দাদি নাতনী। নিহত জমেলা খাতুন দিকশাইল দাখিল মাদ্রাসায় ১০ শ্রেনীর শিক্ষার্থী ছিলেন।

ঘটনাস্থল গিয়ে দেখা যায়, নিহত সুফিয়া খাতুনের মৃতদেহটি বাড়ির গেটের সামনে রক্তাক্ত অবস্থায় পরে রয়েছে। তার মাথায় একাধিক আঘাতের চিন্হ রয়েছে। এবং তার নাতনী জমিলার বিবস্ত্র নিথর দেহটি বাড়ীর অদূরের সরিষা ক্ষেতে পরে রয়েছে। এসময় নিহত জমিলাকে টেনে হিছড়ে সরিষা ক্ষেতে নেওয়ার সময় ঐ পথে একাধিক স্থানে তার পরিহিত জামা এবং সালোয়ার পরে থাকতে দেখা গেছে। বেশ কিছু স্থানে রক্তের ছোপ ছোপ দাগ দেখা গেছে। নিহতের মুখে ধারালো অস্ত্রের একাধিক আঘাত রয়েছে।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও পরিবার সূত্রে জানা যায়, সকালে প্রতিবেশীর বাড়িতে পানির প্রয়োজন হওয়ায় প্রতিবেশী আসাদুল প্রামানিকের ছেলে ফাহিম ১৫ নিহতের বাড়িতে যায়। সেসময় বাড়ির ফটক খুলেই ফটকের ভেতরে বৃদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এসে ঘটনাস্থলে হাজির হয়। সেসময় দাদির মৃতদেহ বাড়ির ফটকে পেলেও নাতনীকে খোঁজ করতে থাকেন প্রতিবেশীরা। পরে খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে বাড়ির অদুরে সরিষার ক্ষেতে নাতনির মৃতদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় দেখতে পান। পরে তারা ঈশ্বরদী থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

মেয়ের মা শিরিনা খাতুন বলেন, প্রায় পাঁচ বছর আগে আমাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। বিচ্ছেদের পর থেকে তার বাবার কাছেই থাকত আামদের মেয়ে। গত তিনদিন ধরে তার বাবা ঢাকায় বেড়াতে যাওয়ার সুবাদে বাড়ীতে আমার মেয়েকে নিয়ে তার দাদী একাই ছিলো। আমার মেয়ে গত কয়েকদিন আগে আমাতে জানিয়েছিলো যে প্রতিবেশী নূরুল ইসলামের ছেলে রাব্বি তাকে দীর্ঘদিন যাবৎ কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিলো। তবে বাড়ীতে পুরুষের অনুপস্থিতিতে অভিযুক্তরাই এই হত্যা কান্ড ঘটাতে পারে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

নিহতের চাচাতো ভাই জহুরুল বলেন, সকালে আমরা কাজে বেরিয়ে গিয়েছিলাম। সেখান থেকে সকাল আট ঘটিকায় খবর পায় আমার চাচাতো বোন ও দাদিকে খুন করা হয়েছে। কাজ থেকে এসে দেখি দাদি উঠানে আর চাচাতো বোন পরে রয়েছে ক্ষেতে।

প্রতিবেশী আসাদুল প্রামানিকের বড় ছেলে মারুফ ২৩ বলেন, সকালে আমাদের বাড়িতে টিউবওয়েল বসানোর জন্য কাজের লোক এসেছিলো।  তাদের কাজের জন্য পানি প্রয়োজন হওয়ায় আমার ছোট ভাই ফাহিম ঐ প্রতিবেশীর বাড়িতে যায়। তাদের বাড়ির ফটকে ঢুকেই সে বৃদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ দেখে চিৎকার করলে আমরা সেখানে ছুটে যায়। গিয়ে দেখি বৃদ্ধার রক্তাক্ত মৃতদেহ পরে রয়েছে।  

বর্তমানে ঘটনাস্থলে ঈশ্বরদী থানা পুলিশ, জেলা ডিবি পুলিশসহ প্রসাশনের একাধিক ইউনিট সেখানে তদন্ত করছেন।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy