প্রকাশ: রোববার, ১ মার্চ, ২০২৬, ১১:৩৮ এএম আপডেট: ০১.০৩.২০২৬ ১১:৪৯ এএম (ভিজিট : ১৩২)

X
সালথায় পাটবীজ উৎপাদনে সফলতা পেয়েছের স্থানীয় কৃৃষকরা
ফরিদপুরের সালথা উপজেলায় পাটবীজ উৎপাদনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে স্থানীয় কৃষকেরা। চলতি অর্থবছরে পরিকল্পিতভাবে নাবী পাট চাষ করে অন্তত পক্ষে ২ হাজার কেজি উন্নতমানের পাটবীজ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে।
পাট কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, এ বছর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় মোট ১০ একর জমিতে পাটবীজ উৎপাদনের লক্ষ্যে নাবী পাটের আবাদ করা হয়। সঠিক পরিচর্যা, আধুনিক পদ্ধতি অনুসরণ এবং মাঠ পর্যায়ে নিয়মিত তদারকির ফলে প্রত্যাশার চেয়েও ভালো ফলন পাওয়া গেছে।
উপজেলার এক পাটচাষী বলেন, আগে আমরা শুধু আঁশের জন্য পাট চাষ করতাম। এবার পাট কর্মকর্তাদের পরামর্শে বীজ উৎপাদনের জন্য নাবী পাট চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। বাজারে বীজের দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে, তাই লাভের মুখ দেখছি।
চাষী ও কৃষক সূত্রের তথ্যমতে এসব পাটবীজ উৎপাদনে খরচ তুলনামূলক কম কিন্ত লাভ বেশি হওয়ায় আগামী বছর আরও অধিক পরিমান জমিতে বীজ উৎপাদনের পরিকল্পনা রয়েছে।
উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, সালথা উপজেলায় পাটবীজ উৎপাদনের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এ বছর পরীক্ষামূলকভাবে ১০ একর জমিতে নাবী পাট চাষ করে প্রায় ২ হাজার কেজি বীজ উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। কৃষকেরা ভালো সাড়া দিয়েছেন। আগামী মৌসুমে এর পরিমাণ আরও বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মানসম্মত দেশি পাটবীজ উৎপাদন বাড়াতে কৃষকদের নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে। এতে করে একদিকে কৃষকেরা লাভবান হবেন, অন্যদিকে দেশি পাটবীজের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে।
সালথা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম জানান, সালথার মাটি পাটবীজ উৎপাদনের জন্য খুবই উপযোগী। এখানে পাটবীজ উৎপাদন কার্যক্রম সম্প্রসারিত হলে এটি কৃষকদের জন্য একটি লাভজনক ও টেকসই আয়ের উৎস হিসেবে গড়ে উঠবে। এতে আমদানি নির্ভরতাও কমাবে।