খামেনিকে যেভাবে খুঁজে বের করে সিআইএ-মোসাদ

অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হ্যাক করা ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হত্যা করা হয়েছে এমনটাই

2026-03-03T13:35:12+00:00
2026-03-03T13:42:20+00:00
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬ ২২ শ্রাবণ ১৪৩৩
বৃহস্পতিবার ৬ আগস্ট ২০২৬
   
খামেনিকে যেভাবে খুঁজে বের করে সিআইএ-মোসাদ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬, ১:৩৫ পিএম  আপডেট: ০৩.০৩.২০২৬ ১:৪২ পিএম  (ভিজিট : ৭৫)
সংগৃহীত ছবি
X

সংগৃহীত ছবি

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে হ্যাক করা ক্যামেরা ও মোবাইল নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে হত্যা করা হয়েছে এমনটাই জানিয়েছে ব্রিটিশ গণমাধ্যম ফাইন্যান্সিয়াল টাইমসের একটি প্রতিবেদন।  

রবিবার (২ মার্চ) প্রকাশিত এই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার আগে বহু বছর ধরে একটি বিস্তৃত গোয়েন্দা অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে তেহরানের প্রায় সব ট্রাফিক ক্যামেরা হ্যাক করে নজরদারির আওতায় আনা হয়েছিল। বিশেষ করে পাস্তুর স্ট্রিট এলাকায়, যেখানে খামেনির দপ্তর ও নেতৃত্বের কমপাউন্ড অবস্থিত, সেখানে কর্মকর্তাদের যাতায়াত ও চলাফেরা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হয়। 

উন্নত অ্যালগরিদম ব্যবহার করে নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা সদস্যদের দৈনন্দিন রুটিন, বাসার ঠিকানা, দায়িত্ব পালনের সময়সূচি এবং কাদের নিরাপত্তা দিতেন, এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে তাদের 'প্যাটার্ন অব লাইফ' তৈরি করা হয়।

ইসরায়েলের অভিজাত সিগন্যালস ইন্টেলিজেন্স ইউনিট ৮২০০ এবং গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের মানবসূত্র থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিশ্চিত হওয়া যায় যে ৮৬ বছর বয়সী সর্বোচ্চ নেতা শনিবার সকালে তার কার্যালয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন। একজন মানবসূত্র তার উপস্থিতির বিষয়টি নিশ্চিত করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। এ ছাড়া পাস্তুর স্ট্রিটের আশপাশের কয়েকটি মোবাইল টাওয়ারের নির্দিষ্ট অংশ অচল করে দেওয়া হয়, যাতে নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা সম্ভাব্য সতর্কবার্তা না পান।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বৈঠকটি নির্ধারিত সময়েই হচ্ছে এমনটি নিশ্চিত হওয়ার পরই হামলা চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের বরাত দিয়ে বলা হয়, মার্কিন বাহিনী সাইবার হামলার মাধ্যমে ইরানের প্রতিরক্ষা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত করে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এই অভিযান ইসরায়েলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের মাধ্যমে পরিচালিত হয়েছে। ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ) দাবি করেছে, এটি ছিল ইসরায়েলি বিমানবাহিনীর ইতিহাসে সবচেয়ে বড় সামরিক উড্ডয়ন অভিযান, যেখানে প্রায় ২০০টি যুদ্ধবিমান অংশ নেয় এবং প্রায় ৫০০টি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়।

ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির পর দায়িত্ব নেওয়া খামেনি দীর্ঘদিন ধরেই নিজের জীবনের হুমকিকে তুচ্ছ করে দেখতেন। হিজবুল্লাহ প্রধান হাসান নাসরুল্লাহর মতো তিনি আত্মগোপনে থাকতেন না; বরং তেহরানেই প্রকাশ্যে অবস্থান করতেন। উল্লেখ্য, নাসরুল্লাহ ২০২৪ সালে বৈরুতে ইসরায়েলি হামলায় নিহত হন। হামলাটি এমন এক সময়ে হয়েছে, যখন ওমানের মধ্যস্থতায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চলছিল। জেনেভায় কয়েক দিন আগে অনুষ্ঠিত বৈঠককে 'গঠনমূলক' বলে বর্ণনা করা হয়েছিল। 




  বিষয়:   খামেনি  সিআইএ-মোসাদ  তেহরান  যুক্তরাষ্ট্র  ইসরায়েল 



Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : bulletinadbd@gmail.com
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy